Tuesday, February 26, 2013
বাংলায় দিদি সত্তর হাজার কোটির প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন, সংস্কারের মুক্ত বাজারে নূতন রেল মনত্রী সে দিকে নজর দেন নি।ঘাটতির অঙ্কে বরং সাধারণ যাত্রী ত বটেই দেশের জনগণের সাড়ে সর্বনাশ করার যাবতীয় উপকরণ মজুত এই রেল বাজেটে।।বাংলার প্রতি রেলমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির নমুনা নোয়াপাড়া বারাকপুর মেট্রো রেল প্রকল্পের মোট বরাদ্দ যেখানে চার হাজার কোটি, সেখানে মাত্র দশ কোটি টাকা বরাদ্দ করায় জলের মত পরিস্কার।অন্যান্য মেট্রো রেল প্রকলপের জন্য রেলমন্ত্রী ডেঢ় শ থেকে আড়াই শ টাকা দিয়েছেন।দিদি যে কারখানা গুলি খোলার কথা দিয়েছিলেন , সে প্রসঙ্গে তিনি নীরব থাকলেন।ছটি হাসপাতাল খোলার কথা ছিল রেলের, তা ার বোধ হয় হবে না।গত পনেরো বছরে চালু প্রকল্পগুলির জন্য চাই পাঁচ লক্ষ কোটি টাকা। পলাশ বিশ্বাস
- ইস্টো-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজও দ্রূতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে
- পশ্চিমবঙ্গে ৭টি ট্রেনের লাইন বাড়ানো ও ২টি ট্রেনের ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানো হয়েছে
- পশ্চিমবঙ্গে ৭টি নতুন ট্রেন আনা হয়েছে।
- রিজার্ভেশন চার্জ বাড়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সম্মুখীন বনসল
- আমার বিশ্বাস মানুষ বর্ধিত রিজার্ভেশন চার্জ গ্রহণ করবে, বললেন বনসল
- রিজার্ভেশন চার্জ বাড়ালেও লেভি কমিয়ে যাত্রী সুরক্ষার দিকে নজর রাখা হয়েছে
- ক্যান্সেলেশন চার্জ বাড়লে জনগণের সুবিধাই হবে
- ভাড়া বাড়েনি, উন্নত সুযোগ সুবিধার জন্য সারচার্জ বেড়েছে মাত্র, সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন বনসল
- বাজেট পেশের পর সাংবাদিক সম্মেলনে রেলমন্ত্রী পবন কুমার বনসল
- জ্বালানির খরচ বৃদ্ধির সঙ্গে রেলের খরচে সামঞ্জস্য থাকবে
- ৬৭টি নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন, ২৭টি নতুন প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ৫৮টি লাইন বাড়ানো হবে
- রেল বাজেট পেশের মাঝেই সংসদে উত্তেজনা
- বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নতির স্বার্থে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন
- নতুন লাইনের ২২টি নতুন প্রকল্প আসছে এই আর্থিক বছরে
- লুধিয়ানা, আজিমগঞ্জ, নিউ ফরাক্কার বিদ্যুতীকরণ
- রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, পঞ্জাব, হরিয়াণা, উত্তরপ্রদেশে নতুন লাইন
- ধর্মীয় স্থানে রেলের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
- মুম্বইতে ৭২টি, চেন্নাইতে ৩০ ও কলকাতায় ১৮টি নতুন সার্ভিস আনা হবে
- মুম্বইতে এসি রেক আনা হবে
- কলকাতা মেট্রোর নতুন লাইন মার্চ ২০১৩-র মধ্যে শেষ হবে
- জানুয়ারিতেই বেড়েছে রেলের ভাড়া, কাজেই রেলের ভাড়া বাড়ছে না। কিছু চার্জ অল্প বাড়বে। তত্কাল চার্জ ও সার্ভিস চার্জ সামান্য বাড়বে
- ইন্টারনেট বুকিং, ওয়েবসাইটে তথ্য বাড়ানো, মোবাইল ফোনে তথ্য, রাত সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা এক ঘণ্টা বাদে সারাদিন ই-টিকিটিং সিস্টেম নিয়ে আসা ও উন্নতি, প্রতি মিনিটে ৭২০০টি টিকিট বুক করা যাবে
- রেলের ভাড়া বাড়ছে না
- ফ্রেট করিডোরের জন্য ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক লোন
- রেল আগের আর্থিক বছরে নেওয়া সমস্ত ঋণ মিটিয়ে দিয়েছে
- খরচ কমানোর চেষ্টা কমানো হবে, কোনও বাজে খরচা যাতে না হয় তার জন্য হিসেবপত্রর ব্যাপারে কড়া নিয়ম চালু করা হবে
- দিল্লির ন্যাশানাল রেল মিউজিয়ামের উন্নতি করা হবে
- স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি বছরের জায়গায় তিন বছর অন্তর পাস রিনিউ করলেই চলবে
- অর্জুন পুরস্কার, রাজীব গান্ধী খেলরত্ন, ধ্যানচাদ পুরস্কারপ্রাপ্তদের রাজধানীদের বিশেষ সুবিধা দেবে রেলওয়ে স্পোর্টস বোর্ড।
- সেকেন্দ্রাবাদে নতুন ইন্সটিটিউট
- নাগপুরে রেলের অলেট্রনিক ট্রেনিং ইন্সটিটিউট
- ট্রেনের ১৪ লাখ কর্মীর উন্নতি। রেলের পরীক্ষা ৬০টি শহরে হবে, আরও স্টাফ কোয়ার্টার তৈরি হবে, হস্টেল ফেসিলিটি মহিলাদের জন্য, চিকিত্সার সুবিধা, লোকোমোটিভ ক্যাব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে
- রেলওয়ে এনার্জি ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, উইন্ডমিল কোম্পানি স্থাপন করা হবে। প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে।
- বিভিন্ন জায়গায় ওয়াগন ওয়ার্কশপ
- গ্রিন ফিল্ড ইলেকট্রিক ফেসিলিটি রাজস্থানে, মিডলাইফ রিহ্যাবিলিটেশন কূর্ণূলে
- ফুট ওভার ব্রিজ বর্তমান স্কিমে না থাকলেও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় আনতে চায় রেলমন্ত্রক
- মুম্বইয়ের রোল করিডোর, ফ্রেট টার্মিনালে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন
- বিলাসপুর-মানালি-লে রেল চালু হবে
- মণিপুরকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
- উদমপুর-শ্রীনগর-বারামুল্লায় রেল ব্যবস্থার উন্নতি
- ফ্রেট করিডোরের উন্নতি, আরও দুটি নতুন ফ্রেট করিডোর
- যুব সমাজের জন্য শিক্ষামূলক আজাদী ট্রেন যা স্বাধীনতা সংগ্রামের এলাকাগুলো যুক্ত করবে
- জম্মু-কাশ্মীরের কাটরা থেকে নতুন ট্রেন-বৈষ্মদেবী দর্শনার্থীদের জন্য
- টিকিট বিক্রিতে সচ্ছ্বতা বাড়ানো, প্রতি ক্লাসের জন্য ক্যাটরিং, ISO সার্টিফিকেশন চালু
- টিকিট বুকিং, জিপিএস, রেলকর্মীদের বেতনে উন্নতি
- ১৭০ টি এসকলেটর ৪০০টি লিফট জনবহল স্টেশনে আনা হবে, হুইলচেয়ার ফেসিলিটি নিয়ে আসা হবে
- শতাব্দী, রাজধানীতে একটি করে অত্যাধুনিক কামরা অনুভূতি যুক্ত হবে।
- ৯৮০টি স্টেশনের সঙ্গে আরও ৬টি স্টেশন যুক্ত করা
- শৌচালয়, প্ল্যাটফর্ম পরিচ্ছন্নতা বাড়ানোর জোর, লন্ড্রির সংখ্যা, ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে বাড়ানোর ও জোর
- পরিচ্ছন্নতা, খাবারের মান ও বেডিংয়ের মান বাড়ানোর ওপর জোর রেল বাজেটে
- রেললাইনে বন্যপ্রানীর মৃত্যু কমানো ও নারীদের নিরাপত্তায় জোর
- অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার উন্নতির জন্য ১০ বছরের সেফটি প্ল্যান
- লেভেল ক্রসিং কমানো, সিগনাল ব্যবস্থার উন্নতি, অটোমেটিক সিগন্যালিং, দুর্ঘটনা এড়ানো, রেললাইনের দৈর্ঘ্য বাড়ানো ও উন্নতি, দ্রূত দুর্ঘটনার মোকাবিলার ওপর জোর
- টাকার অভাবে বাড়ছে সমস্যা
- কমেছে রেল দুর্ঘটনা: বললেন বনসল
- এলাহাবাদ স্টেশনে দুর্ঘটনায় মৃত কুম্ভযাত্রীদের জন্য দুঃখপ্রকাশ বনসলের
- রেলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির প্রয়োজন: সংসদে বললেন বনসল
- সংসদে শুরু রেল বাজেট পেশ
- সংসদে পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী পবন কুমার বনসল।
- শরীকী চাপ নেই, ১৭ বছর পর কংগ্রেসের মন্ত্রীই পেশ করবেন রেল বাজেট।
- এটাই হবে দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ রেল বাজেট।
রেল বাজেট ২০১৩
দীর্ঘ এক দশক পর গত জানুয়ারিতেই যাত্রীভাড়া বাড়িয়েছিলেন রেলমন্ত্রী। তখনই বুঝিয়েছিলেন, প্রয়োজন না হলে বাজেটে নতুন করে ভাড়া বাড়ানোর পক্ষপাতী তিনি নন। কিন্তু তার পরই ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায়, ফের যাত্রীভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সরাসরি যাত্রীভাড়া বাড়ানোর রাস্তায় এগোননি বনসল। তিনি জানিয়েছেন, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে রেলের উপর খরচের বাড়তি বোঝা চাপবে। কিন্তু তিনি সেই বোঝা যাত্রীদের ঘাড়ে চাপাতে চান না। এ ছাড়াও পণ্য পরিবহণ মাশুল বেড়েছে ৫ শতাংশ।
ঘটনা হল, যাত্রীভাড়া না বাড়লেও রেলযাত্রার খরচ কিন্তু বাড়ছে। কেননা, মূল ভাড়ার থেকে জ্বালানি সংক্রান্ত খরচ এবার থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে, জ্বালানির মূল্যর সঙ্গে ওঠানামা করবে রেলের ভাড়া। একটি টিকিটের বিচারে সে বৃদ্ধি (বা হ্রাসের) পরিমাণ খুব বেশি না হলেও, সার্বিক ভাবে এতে রেলের ঘরে কিছুটা টাকা ঢুকবে বলে মনে করা হচ্ছে। সুপারফাস্ট চার্জের সঙ্গে রিজার্ভেশন চার্জ ধরলে স্লিপারে ১০, এসি থ্রি টিয়ারে ৩০, টু টিয়ারে ৪০ এবং প্রথম শ্রেণিতে ৫০ টাকা করে খরচ বাড়বে যাত্রীদের।
এ ছাড়াও রিজার্ভেশন, ক্যানসেলেশন, তত্কাল টিকিটের চার্জ বাড়ছে। এবার থেকে দিতে হবে সুপারফাস্ট ট্রেনের চার্জও। টিকিট বাতিলের চার্জ সব শ্রেণিতে ৫-৫০ টাকা বাড়ছে। এ ছাড়াও যাত্রীভাড়া পর্যালোচনা সংক্রান্ত কমিটি বিভিন্ন সময়ে ভাড়া খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।
জোর করে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার। ফলে, মেট্রো প্রকল্পগুলির জন্য প্রয়োজনীয় জমি পাওয়ায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এই অবস্থায় রেলমন্ত্রী রাজি নন অকারণে টাকা বরাদ্দ করতে। বরং তিনি ৩৪৭টি প্রকল্পকে প্রায়োরিটি প্রজেক্ট হিসেবে চিহ্নিত করে সেগুলিকে অগ্রাধিকার দিতে চান। আর এর জেরেই ব্যাপক ভাবে ছাঁটাই হল চারটি মেট্রো প্রকল্পে। জোকা-বিবাদি বাগ, নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট-বারাসত, এয়ারপোর্ট-নিউ গড়িয়া এবং বারাসত-ব্যারাকপুর-দক্ষিণেশ্বর প্রকল্পের বরাদ্দ বিপুল ভাবে কমানো হয়েছে। গত বছর জোকা-বিবাদি বাগ মেট্রো প্রকল্পে ৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল৷ এবার তা কমে হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা৷
নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট-বারাসত মেট্রো প্রকল্পে ১ হাজার ৫০ কোটি টাকার বরাদ্দ করা হয়েছিল আগের বার। এবার তা ছেঁটে করা হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা৷ এয়ারপোর্ট-নিউ গড়িয়া প্রকল্পে ১০৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও এবার তা করা হয়েছে ২৫০ কোটি টাকা৷ বারাসত-ব্যারাকপুর-দক্ষিণেশ্বর প্রকল্পে গত বছর বরাদ্দ ছিল ৬০২ কোটি টাকা৷ এবার তা কমে মাত্র ১০ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে।
ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে রেল। এ জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দমদম-নোয়াপাড়া মেট্রো সম্প্রসারণ মার্চ ২০১৩-র মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। ২০১১-র রেলবাজেটে এই প্রকল্পগুলির জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও খরচ হয়েছিল মাত্র ৭০০ কোটি টাকা। ২০১২-তে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও ব্যয় হয় মাত্র ৮০০ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ফেরত যায়।
এ ছাড়া এবারের বাজেটে মোট ৭টি নতুন ট্রেন পেয়েছে রাজ্য। কলকাতা-সীতামারি, কলকাতা-আগ্রা, কাটিহার-হাওড়া, হাওড়া-চেন্নাই বাতানুকূল দ্বিসাপ্তাহিক, হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বাতানুকূল দ্বিসাপ্তাহিক, শিয়ালদহ-বহরমপুর কোর্ট মেমু এবং কাটোয়া-জঙ্গিপুর ডেমু ট্রেনের ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী। থাকছে ১৮টি নতুন লোকাল ট্রেনও।
কিন্ত্ত চলতি ২০১২-১৩ অর্থ বছরে এই প্রকল্পে ৬৩০ কোটি টাকা বরাদ্দের পর আগামী বছরে ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দ হওয়া মানেও তো আগের বছরের চেয়ে বরাদ্দ কমে যাওয়া৷ এক কেএমআরসি কর্তা বলেন, রেল মন্ত্রক পরে মূলধন খাতে আরও টাকা দেবে বলেই তাঁদের বিশ্বাস৷
তবে এই ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্যও বিস্তর কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী ও কেএমআরসি কর্তৃপক্ষকে৷ মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ অন্য যে পাঁচটি মেট্রো প্রকল্প রূপায়ণ করছে, সেগুলির জন্য এই বাজেটে বরাদ্দ অতি সামান্য৷ সেই প্রেক্ষাপট মনে রাখলে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্প যে এগিয়ে যাওয়ার মতো অর্থ পাচ্ছে, সেটাই বড় কথা৷ এই প্রকল্পের গুরুত্ব ও তার এতদিনের কাজের অগ্রগতির কথা মন্ত্রকের মাথায় ঢোকাতে অনেক সময় লেগেছে৷ এক কেএমআরসি কর্তা মঙ্গলবার বলেন, 'একটা সময় তো মনে হচ্ছিল, এক পয়সাও বরাদ্দ হবে না৷ সেই অবস্থান বদল করে যে শেষ পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা রেলে মন্ত্রক বরাদ্দ করতে রাজি হল, সেটাই আমাদের বড় সাফল্য৷'
রেল ও যাত্রীদের সুরক্ষায় ট্রেন প্রোটেকশন ওয়ার্নিং পদ্ধতি ও অটোম্যাটিক সিগনালিং পদ্ধতিও চালু করার প্রস্তাব রয়েছে ২০১৩-১৪ সালের রেল বাজেটে৷ এর অঙ্গ হিসাবে রয়েছে ট্র্যাক ক্যাপাসিটিও৷ প্রস্তাব করা হয়েছে ৬০ কিলোগ্রাম ওজন সম্পন্ন রেল, ২৪০ মিটার বিশেষ ঝালাই প্যানেল ও জোড়মুখ ঝালাইয়ের বিশেষ ফ্ল্যাশ বাট ওয়েল্ডিং টেকনোলজি চালু করার প্রস্তাবও দিয়েছে রেল৷
সংঘর্ষ এড়াতে ট্রেন কলিশন অ্যাভয়ডান্স সিস্টেম (টিসিএসি) চালুর প্রস্তাবও করেছেন রেলমন্ত্রী৷ রেলের ট্র্যাকের গঠনও আরও আধুনিক করা হচ্ছে৷ ধীরে ধীরে সব কোচেই অ্যানটি-ক্লিম্ব ফিচার যোগ করা হবে, এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটলেও একটি বগির উপরে আরেকটি উঠে যাবে না৷
বিপর্যয় মোকাবিলায় ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ২০০ কিলোমিটার গতি সম্পন্ন যে বিশেষ ট্রেনের (সেল্প প্রপেলড অ্যাক্সিডেন্ট রিলিফ ট্রেনস) প্রস্তাবও বাজেটে রয়েছে৷ রেলসেতুগুলির মধ্যে বিপজ্জনক ১৭টিকে চিহ্নিত করেছে রেল, এ বছরের মধ্যেই সারাইয়ের কাজ শেষ করার প্রস্তাব করেছেন বনশল৷ অগ্নিকাণ্ড এড়াতে ডিটেক্টিভ সিস্টেম চালুর পাশাপাশি বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক রাখার কথাও বলেছেন বনশল৷
যাত্রী সুরক্ষায় নতুন যত আরপিএফ কর্মী নিয়োগ করা হবে তার ১০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে মহিলাদের জন্য৷ এ ছাড়াও লেডিজ স্পেশাল ট্রেনগুলির নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। সেখানেও মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত আরপিএফ। খোলা হচ্ছে হেল্পলাইনও।
নয়াদিল্লি: এবারের রেল বাজেটে সরাসরি বাড়ানো হল না ট্রেনের যাত্রীর ভাড়া৷ যদিও ঘুরপথে রেলের আয়ের সংস্থান করলেন রেলমন্ত্রী পবন বনশল৷ তবে, সরাসরি ভাড়া না বাড়ালেও আগামী দিনে ভাড়াবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন৷ বাজেটে রেলমন্ত্রীর ঘোষণা, এবার থেকে যাত্রী ভাড়ায় আলাদা করে ধরা হবে জ্বালানি খরচ৷ অর্থাত্ জ্বালানীর খরচ বাড়লে, যাত্রী ভাড়া বাড়ার সম্ভাবনা৷ এছাড়াও, যাত্রীভাড়া নির্ধারণে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে স্বাধীন রেল ট্যারিফ রেগুলেটরি অথিরিটি গঠনেরও ঘোষণা করেছেন পবন বনশল৷
ভাড়া না বাড়িয়ে ঘুরপথে আয়ের সংস্থান করতে এ বারের বাজেটে বাড়ানো হয়েছে সংরক্ষণ চার্জ৷
দ্বিতীয় শ্রেণি ও স্লিপারের সংরক্ষণ চার্জ একই রাখা হয়েছে৷ এসি চেয়ার কার ও ও এসি থ্রি টিয়ারের সংরক্ষণ চার্জ ২৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০টাকা৷ এসি টু টিয়ারের সংরক্ষণ চার্জ ২৫ টাকা বেড়ে হল ৫০ টাকা৷ এসি প্রথম শ্রেণির ৩৫ থেকে বেড়ে ৬০ টাকা৷
বাড়ানো হয়েছে সুপারফাস্ট ট্রেনের চার্জও-
দ্বিতীয় শ্রেণির ভাড়া ছিল ১০ টাকা৷ বেড়ে হল ১৫ টাকা৷ স্লিপার ২০ থেকে বেড়ে ৩০৷ এসি চেয়ার কার, এসি থ্রি টিয়ার, এসি টু টিয়ারের চার্জ ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ টাকা করা হয়েছে৷ প্রথম শ্রেণি সাধারণের চার্জ তিরিশ টাকা থেকে বাড়িয়ে পঁয়তাল্লিশ টাকা করা হয়েছে৷ এসি প্রথম শ্রেণির সুপারফাস্ট ট্রেনের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বেড়ে হল ৭৫টাকা৷ এর জেরে কেউ যদি সুপারফাস্ট ট্রেনে সংরক্ষিত টিকিট কাটতে চান, তা হলে সেক্ষেত্রেও খরচ বাড়ছে৷
দ্বিতীয় শ্রেণির সুপারফাস্টে খরচ বাড়ছে ৫ টাকা৷ স্লিপারে বাড়ছে ১০টাকা৷ সুপারফাস্টের এসি চেয়ারকার ও এসি থ্রি টিয়ারে ৩০টাকা৷ প্রথম শ্রেণি ও এসি টু টিয়ারে সফর খরচ বাড়ল ৪০ টাকা৷ সুপারফাস্ট ট্রেনের এসি প্রথম শ্রেণিতে গেলে খরচ বাড়ছে ৫০টাকা৷
তত্কালে টিকিট কাটতেও খরচ বাড়ছে-
স্লিপারে তত্কাল চার্জ ১৫০ থেকে বেড়ে হল ১৭৫ টাকা৷ এসি চেয়ারকারে ১৫০ থেকে বেড়ে ২০০টাকা৷ এসি থ্রি টিয়ারে ৩০০ থেকে বেড়ে ৩৫০৷ এসি টু টিয়ারে ও এসি প্রথম শ্রেণিতে তত্কাল চার্জ ৩০০ থেকে বেড়ে হল চারশো টাকা৷
এবারের বাজেটে টিকিট বাতিলের চার্জও বাড়ানো হয়েছে৷দ্বিতীয় শ্রেণির টিকিট বাতিলের চার্জ ২০ থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছে৷ এসি প্রথম শ্রেণির ৭০ থেকে বাড়িয়ে ১২০টাকা৷
সি কে জাফর শরিফ থেকে পবন কুমার বনসল৷ মাঝে ১৭ টা বছরের ব্যবধানে তৃণমূলের সঙ্গে জোট ভাঙার পর মঙ্গলবার প্রথম রেল বাজেট পেশ করলেন বনসল৷ কেমন বাজেট উপহার দেন তিনি, সেদিকেই নজর ছিল আমজনতা থেকে শুরু করে সব মহলের। রেলমন্ত্রী হওয়ার পরই তিনি ভাড়া বাড়িয়েছেন।আবার কি বাড়বে? এই জল্পনা ছিল।সূত্রের খবরে অনুমান করা হচ্ছিল, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তাল রাখতে গিয়ে রেলভাড়া বাড়ানো হতে পারে। সরাসরি না হলেও যাত্রী পরিষেবা সেস বসানো হতে পারে এবং তার পাশাপাশি জ্বালানি খাতে দামবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে কোনও পদক্ষেপ করা হতে পারে যার জেরে যাত্রীভাড়া বাড়বে। শেষপর্যন্ত দেখা গেল রেলের আর্থিক ভাঁড়ারের হাল খুবই খারাপ, এই যুক্তি দেখিয়ে পরোক্ষে ভাড়া বাড়ানোর রাস্তাতেই হাঁটলেন বনসল।
http://abpananda.newsbullet.in/national/60-more/33960-2013-02-26-04-20-41
নয়াদিল্লি: সরাসরি যাত্রী ভাড়া না বাড়ালেও বাজেটে রেলের আয় বাড়াতে পণ্য মাসুল বাড়ালেন রেলমন্ত্রী পবন বনশল৷ ৫.৮ শতাংশ হারে বাড়ানো হল পণ্য মাসুল৷ ১ এপ্রিল থেকে এই বর্ধিত মাসুল কার্যকর হবে৷
বিভিন্ন খাদ্যশস্য, থেকে শুরু করে কয়লা, লোহা, ইস্পাত, ইউরিয়া, লৌহ আকরিক, ডিজেল, কেরোসিন, এলপিজি-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পরিবহণে এবার থেকে বর্ধিত মাসুল দিতে হবে৷ এর আঁচ আম আদমির গায়ে লাগবে বলে আশঙ্কা বণিক মহল ও অর্থনীতিবিদদের একাংশের৷
অ্যাসোচেমের সভাপতি রাজকুমার ধুতের মত, পণ্য মাসুল বাড়ায় মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে৷ তাঁর বক্তব্য,শিল্পজাত পণ্য পরিবহণে মাসুল বাড়ালে আপত্তি নেই৷ কিন্তু, ইউরিয়া ও কৃষিজাত পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে বর্ধিত মাসুল রেলমন্ত্রী প্রত্যাহার করা উচিত৷ তা না হলে সাধারণ মানুষকে ভুগতে হবে৷
বণিকসভা সিআইআইয়েরও একই মত৷ তাদের আশঙ্কা,পণ্য মাসুল বৃদ্ধির জেরে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে৷ মুদ্রাস্ফীতির বাড়তি চাপ সইতে হবে৷ বোঝা বাড়বে সাধারণ মানুষের উপর৷
যে ভাবে পবন বনশল আয় বাড়ানোর চেষ্টা করছে তাতে খুশি নয় আরেক বণিক সভা ভারত চেম্বার অফ কমার্সও৷ তাঁদের বক্তব্য, আর্থিক স্বাস্থ্য ফেরাতে উদ্ভাবনী কোনও পথ খুঁজে বের করতে পারল না রেল৷
অর্থনীতিবিদদেরও একটা বড় অংশ মনে করছে, পণ্য মাসুল বাড়ায় খাদ্যশস্য, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, সার-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের পরিবহণ খরচ বাড়বে৷ যার জেরে, মুদ্রাস্ফীতির হারও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আশঙ্কা৷
তবে বিশেষজ্ঞমহলের মহলের একটা অংশের এও বক্তব্য, পণ্য মাসুল বাড়ায় পরিবহণের খরচ বাড়বে ঠিকই, কিন্তু সেই বর্ধিত খরচের কতটা গ্রাহকদের উপরে চাপানো হবে সেটা এখন বাজারের হাতে৷ পণ্য মাসুল বাড়ানোর ক্ষেত্রে রেলমন্ত্রীর অবশ্য যুক্তি, ভাল পরিষেবা দিতে ও ভাল ভাবে সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে, আর্থিক ভাবে শক্তিশালী হতেই হবে৷
এদিকে, রেল বাজেটের পরই বাজারের মুখ ভার৷ বাজেট পেশের পরই শেয়াবাজারে ধস নামে৷ ৩১৬ পয়েন্ট নেমে সেনসেক্সের সূচক দাঁড়ায় প্রায় ১৯ হাজার পনেরোয়৷ ২৯ নভেম্বরের পর এই প্রথম শেয়ারবাজারে এতবড় ধস৷ ৯৩ দশমিক চার শূন্য পয়েন্ট নেমে নিফটির সূচক দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭৬১তে৷
http://abpananda.newsbullet.in/national/60-more/33992-2013-02-26-14-35-30
নয়াদিল্লি: হাততালি কুড়োতে প্রকল্পের ফুলঝুরি নেই৷ সামর্থের বাইরে গিয়ে অহেতুক ঘোষণা নেই৷ বরং রেলের বেহাল আর্থিক দশার কথা মাথায় রেখেই বাস্তবমুখী রেল বাজেট পেশ করলেন রেলমন্ত্রী পবনকুমার বনশল৷ খোলা রাখলেন সংস্কারের দরজা৷
এদিন বাজেট বক্তৃতা পেশ করতে গিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, স্বপ্ন যতই উঁচু হোক, মাটিতে পা রেখে চলতে হবে৷ আর সেই বক্তব্যের ছাপই দেখা গেল তাঁর বাজেটেও৷ কীভাবে? রেলমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এবার থেকে যাত্রী ভাড়ায় আলাদা করে ধরা হবে জ্বালানি খরচ৷ অর্থাত্ স্পষ্ট, জ্বালানির খরচ বাড়লে, যাত্রী ভাড়াও বাড়ার সম্ভাবনা৷ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে রেলমন্ত্রী ভবিষ্যতে যাত্রী ভাড়া বাড়ানোর রাস্তা খোলা রাখলেন৷
চলতি আর্থিক বছরে পণ্য পরিবহণ থেকে রেলের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে, ৯৩ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা৷ আর যাত্রী পরিবহণ থেকে ৪২ হাজার ২১০ কোটি টাকা৷
অপারেশনাল রেশিও অর্থাত্, ১০০ টাকা আয় করতে রেলের যত টাকা ব্যয় হয়, সেই অনুপাতের লক্ষ্যমাত্রাটা রাখা হয়েছে ৮৭.৮ শতাংশ৷ ২০১১-১২ আর্থিক বছরে এই অপারেশনাল রেশিও পৌঁছে গিয়েছিল ৯৪.৯ শতাংশে৷
প্রকল্প ঘোষণার ক্ষেত্রেও রয়েছে বাস্তবের ছোঁয়া৷ রেলওয়ে ল্যান্ড ডেভলপমেন্ট অথরিটি এবং ইন্ডিয়ান রেলওয়ে স্টেশন ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশনের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা করে ফিক্সড ডিপোজিট করা হবে৷
পরিকল্পনা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৬৩ হাজার ৩৬৩ কোটি৷ এর মধ্যে অর্থমন্ত্রক দেবে ২৬ হাজার কোটি টাকা৷
অন্যদিকে, রেলমন্ত্রী সংস্কারের রাস্তাও খোলা রেখেছেন৷ যাত্রীভাড়া নির্ধারণে রাজনৈতিক দখলদারি রুখতে একটি স্বাধীন রেল ট্যারিফ রেগুলেটরি অথিরিটি গঠন করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে৷
জোর দেওয়া হয়েছে বন্দর, খনি ও ভারী শিল্প উত্পাদন কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরির ওপর৷ এই খাতে অধিকাংশ প্রকল্পই তৈরি হবে পিপিপি মডেলে৷ যার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৯ হাজার কোটি টাকা৷
হরিয়ানা, অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকটি রাজ্যকে অংশীদার করেও রেলের কয়েকটি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে৷
এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলেও প্রায় কুড়িটি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে৷ কিন্তু, তার মধ্যে ১৫টি প্রকল্প অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে৷ রেলের ভাঁড়ারে হাঁড়ির হাল৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, এই পরিস্থিতিতে শুধু জনপ্রিয়তা কুড়োতে সামর্থের বাইরে বেরিয়ে প্রকল্প ঘোষণার কোনও যুক্তি নেই, তা রেলমন্ত্রী খুব ভালভাবেই বুঝতে পেরেছেন৷ বরং আয় বাড়ানো এবং প্রকল্প রূপায়ণে জোর দেওয়াই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত৷ আর বাস্তবের সেই দাবি মেনেই সংস্কারের দরজা খোলা রেখে এবং নির্দিষ্ট দিশায় পবনকুমার বনশলের এই বাজেট৷
http://abpananda.newsbullet.in/national/60-more/33991-2013-02-26-14-25-20
নয়াদিল্লি: ১৭ বছর পর কংগ্রেসের মন্ত্রী হিসেবে রেল বাজেট পেশ করতে গিয়ে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে জোর দিলেন পবন বনশল৷ তাঁর ঘোষণা, এবার থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ই-টিকিট কাটা যাবে৷
ইন্টারনেটে টিকিট বুকিংয়ের সময়ও বাড়ানো হয়েছে৷ নতুন প্রজন্মের ই-টিকিট সিস্টেমের মাধ্যমে রাত সাড়ে বারোটা থেকে পরের দিন রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত ইন্টারনেটে টিকিট কাটা যাবে৷ আগে যে খানে মিনিটে ২হাজার ই-টিকিট বুক করা যেত, এখন কাটা যাবে ৭ হাজার ২০০টি৷ এসএমএস অ্যালার্টের মাধ্যমে জানা যাবে সংরক্ষিত টিকিট বুকিংয়ের অবস্থান।
এছাড়াও, বিভিন্ন ট্রেনে করা হবে বায়ো টয়লেটের ব্যবস্থা।
বিশেষ কয়েকটি ট্রেনে থাকবে ওয়াই-ফাই সিস্টেম।
টিকিট কাটার জন্য অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং সিস্টেম, আনরিজার্ভড টিকেটিং সিস্টেম, কয়েন অপারেটেড টিকিট ভেন্ডিং মেশিনের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
যাত্রীরা যাতে ট্রেনে চড়ার সময় ফোন, এসএমএস, ইমেলের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতে পারেন তার ব্যবস্থা৷
স্টেশনগুলিতে আরও বেশি সংখ্যায় ইলেকট্রনিক বোর্ড।
পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ নজর।
আরও ৬০টি স্টেশনকে আদর্শ স্টেশন করার পরিকল্পনা।
গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে ১৭৯টি চলমান সিঁড়ি, এ-১ স্টেশনগুলিতে ৪০০ লিফট।
প্রতিটি স্টেশনে প্রাথমিক চিকিত্সার ব্যবস্থা।
নির্বাচিত কয়েকটি ট্রেনে বিশেষ সুবিধাযুক্ত 'অনুভূতি' কোচের সংযোজন।
বিজয়ওয়াড়া, নাগপুর, ললিতপুর, বিলাসপুর, জয়পুর ও আমদাবাদে আরও ৬টি রেল নীর প্রকল্প।
রেলের খাবারের গুণগত মান যাতে ঠিকঠাক থাকে সেদিকে নজর রাখতে একটি বিশেষ সেল গঠন৷ যার টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০ ১১১ ৩২১।
এছাড়াও রেল পরিষেবায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে৷ বনশল জানিয়েছেন, রেলকর্মীদে ও যাত্রীদের জন্য আঁধার কার্ড ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে৷
http://abpananda.newsbullet.in/national/60-more/33993-2013-02-26-14-49-48
রেল বাজেটে রাজ্যের প্রাপ্তি মাত্র ৫টি দূরপাল্লার ট্রেন। কলকাতা-সীতামারি, কলকাতা আগরা, কাটিহার- হাওড়া এবং হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বাতানুকুল সাপ্তাহিক ট্রেনের ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী। ঘোষণা হয়েছে হাওড়া-চেন্নাই বাতানুকূল দ্বিসাপ্তাহিক এক্সপ্রেসের। এছাড়া শিয়ালদা-বহরমপুর কোর্ট মেমু এবং কাটোয়া-জঙ্গিপুর ডেমু ট্রেনের ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী।
সরাসরি বাড়ানো না হলেও ঘুরপথে বাড়ানো হল যাত্রীভাড়া। দূরপাল্লার প্রতিটি টিকিটের ক্ষেত্রে বসানো হচ্ছে বেশ কিছু সারচার্জ। আজ রেল বাজেট পেশ করে রেলমন্ত্রী পবন বনসল বলেন, "প্রতিটি টিকিটের ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টারি চার্জ এবং রিজার্ভেশন চার্জ বাড়বে।" তাছাড়াও ততকালের ক্ষেত্রে এবং টিকিট বাতিল করলে আগের তুলনায় বেশি চার্জ লাগবে। তবে, বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী লোকাল ট্রেনের ভাড়া বাড়ছে না। পণ্য মাশুল ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে রেল বাজেটে। অর্থ সঙ্কট মেটাতেই রেলের পণ্য মাশুল বাড়াতে হয়েছে। আজ রেল বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই একথা বলেন রেলমন্ত্রী পবনকুমার বনসল। তিনি বলেন, "টাকার অভাবে বহু জায়গায় থমকে গিয়েছে গেজ সম্প্রসারণের কাজ।"
রেল বাজেটে দেশজুড়ে ২৫টি কারখানার ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী পবনকুমার বনসল। তবে এই ২৫ টির মধ্যে মাত্র একটি প্রকল্প আসছে এ রাজ্যে। রেলমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, বহরমপুরে একটি ওয়ার্কশপ বানাবে রেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বহু রেল কারখানা ঘোষিত হয় এ রাজ্যের জন্য। তবে, তার বেশিরভাগ প্রকল্পের কাজই শুরু করা যায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় ঘোষিত ৩৭ টি প্রকল্পের শিলান্যাস হলেও একটিরও ফিজিবিলিটি রিপোর্ট এখনও তৈরি করা যায়নি। কোদকর কমিটির সুপারিশ মেনে দুর্ঘটনা শূন্য ব্যবস্থা তৈরিই এই মুহূর্তে অন্যতম লক্ষ্য। রেল বাজেট পেশ করতে গিয়ে এমনটাই বললেন পবন বনসল।
তৃণমূলকে ধ্বংস করতেই এই রেল বাজেট। বাংলার প্রতি বঞ্চনার সংখ্যাতত্ত্ব তুলে অভিযোগ করল তৃণমূল কংগ্রেস। রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। পবন বনসলের রেল বাজেটকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে সিপিআইএম। দলের নেতা মহম্মদ সেলিমের মন্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত রেল প্রকল্পগুলির যে কোনও বাস্তব ভিত্তি ছিল না, এ বারের বাজেটে তাই প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের অভিযোগ, নোয়াপাড়া-বিমানবন্দর-বারাসত মেট্রো প্রকল্পের জন্য ২,৩০০ কোটি টাকা খরচ ধরা হলেও বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ১৭০ কোটি টাকা। বিমানবন্দর-নিউ গড়িয়া প্রকল্পের জন্য ৩৯০০ কোটি টাকা খরচ ধরা হলেও মাত্র ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দমদম-বারাকপুর-দক্ষিণেশ্বর মেট্রো প্রকল্পে ২০০০ কোটি টাকা খরচ ধরা হলেও এ বারের রেল বাজেটে মাত্র ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সৌগত রায়। জোকা-বিবাদি মেট্রোয় ২৬০০ কোটি টাকা খরচের জায়গায় ৪৫ কোটি টাকা এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পে ৪৮০০ কোটি টাকার বদলে মাত্র ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে তৃণমূলের অভিযোগ।
এ বার রেল বাজেট পেশের পর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত নানা অবাস্তব প্রকল্পের বেড়াল ঝুলি থেকে বেড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিমের।
রেলের আর্থিক সঙ্কটের কথা স্বীকার করায় পবন বনসলকে সাধুবাদ জানিয়েছে সিপিআইএম। তবে, ঘুরপথে রেলের ভাড়া বৃদ্ধি ও পণ্যমাশুল বাড়ানোর জন্য কংগ্রেসের সমালোচনা করা হয়েছে সিপিআইএমের পক্ষ থেকে।
সংস্কারের ছায়া ২০১৩ রেল বাজেটে। দাবি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের। মঙ্গলবার সংসদে রেল বাজেট পেশের পর এবারের বাজেটকে `সংস্কার মূলক` বলার পাশাপাশি অগ্রগতির ইঙ্গিতবাহি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিন তিনি বলেন, "এবারের বাজেটে রেল অর্থনীতির বাস্তব ছবিটা ধরা পরেছে।"
রেলমন্ত্রী পবন বনসলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রী পরিষেবা উন্নয়ন ও রেলের খরচা নিয়ন্ত্রণে বনসল উল্লেখযোগ্য দিশা দেখাতে পেরেছেন বলে দাবি মনমোহনের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, "রেলের পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে পবন কুমার বনসল ভাল কাজ করেছেন, আমি তার প্রশংসা করি।"
২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে জনমোহিনি বাজেট দিতে ঠিক কী কী চমক থাকবে রেলের পরিকল্পনায়, তা নিয়ে দফায় দফায় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের সঙ্গে বৈঠক করেন পবন বনসল।
এই কামরাগুলির নাম দেওয়া হবে 'অনুভূতি'। স্বাভাবিক ভাবেই কামরাগুলির ভাড়া বেশি হবে। সংরক্ষণের সময়ই সেই ভাড়া যাত্রীদের থেকে নেওয়া হবে। এ ছাড়াও বাছাই করা কয়েকটি ট্রেনে পাইলট ভিত্তিতে এসএমএস বা ফোন পরিষেবা শুরু করা হবে, যাতে ট্রেনের কর্মীদের সঙ্গে যাত্রীরা এসএমএস বা ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন। এতে আরও ভালো পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছেন রেলমন্ত্রী।
সংসদে রেল বাজেট পেশ করেছেন রেলমন্ত্রী পবন কুমার বনসল। রেলের ভাড়ার যে ক্রমেই শূন্য হচ্ছে সে কথা স্বীকার করে নিলেন রেলমন্ত্রী। যাত্রীদের রেল যাত্রাকে আরও সুরক্ষিত করতে বিশাল রেল নেটওয়ার্কের অর্থনৈতিক নির্ভরতা বাড়ানো দরকার আছে বলে মনে করেন তিনি। রেলমন্ত্রী বলেন, "দ্রুত রেল ব্যবস্থায় পরিকাঠামোর উন্নয়ন ঘটানো দরকার। অর্থনীতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে যাত্রী ও ফ্রেড ভাড়া নির্ণয় প্রয়োজন।" রেলের উন্নয়নের সঙ্গেই দেশের উন্নতি জড়িত বলে মনে করেন রেলমন্ত্রী।
চলতি আর্থিক বছরের রেলের ক্ষতির খতিয়ান দিয়েছেন পবন বনসল। তিনি জানিয়েছেন ২০১২-১৩ সালে রেলে মোট ক্ষতির পরিমাণ ২৪ হাজার কোটি টাকা। এ দিন সংসদে বাজেট পেশের সময় এলাহাবাদে পদপিষ্ট হয়ে পুন্যার্থীদের মৃত্যুর প্রসঙ্গও টেনে আনেন বনসল। গোটা ঘটনায় রেলের তরফে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। সেইসঙ্গে তাঁর এও দাবি, গত রেল দুর্ঘটনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে রাশ টানতে পেরেছে মন্ত্রক। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পবন বনসল বলেন, প্রতিটি ট্রেনে অ্যান্টি কোলিশন ডিভাইস বসানোর প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি গোটা দেশে মোট ১০ হাজার ৯৯৭ সয়ংক্রিয় লেভেল ক্রসিং তৈরির কথা ঘোষণা করেন রেলমন্ত্রী। নতুন করে কোনও কর্মিবিহীন লেভেল ক্রসিং তৈরি করা হবে না বলে জানান রেলমন্ত্রী। ট্রেনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এ দিন সকালে রেলভবনে যাওয়ার পথে রেলমন্ত্রী জানান, "বাজেট পেশের পর সাধারণ মানুষ কী বলেন, সে দিকেই তাকিয়ে আমি।"
টাকার অভাবে বাড়ছে সমস্যা
অর্থের অভাবে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে
প্যাসেঞ্জার সার্ভিস খাতে ক্ষতির পরিমাণ ২০০১ সালের ৪৯৫৫ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০১১-২০১২ সালে ২২৫০০ কোটি টাকা হয়েছে। ২০১২-২০১৩ সালে
সেটা বেড়ে আনুমানিক ২৪৬০০ টাকা হওয়ার সম্ভাবনা।
আগের রেলবাজেটের অন্তর্গত প্রকল্প গুলোর মধ্যে লাইন বৈদুত্যিকরণ ও নতুন লাইন পাতার কাজ সম্পন্ন।
কিন্তু ডবল লাইন পাতার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যায়নি।
১২তম প্ল্যানে মোট রেল বাজেট ৫ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা।
তার থেকে গ্রস বাজেটারি সাপোর্ট পাওয়া যাবে ১ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা
অভন্ত্যরীণ সূত্র থেকে পাওয়া যাবে ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা
প্রতি ১০০ কিলোমিটারে অ্যাক্সিডেন্ট ২০০৩-এর ০.৪১ থেকে কমে ২০১১-২০১২ সালে ০.৩ নেমে এসেছে।
সেন্ট্রাল রেল ফান্ড থেকে ৫০০০ কোটি টাকা দরকার
মোট ক্ষতির পরিমাণ ২৫০০০ কোটি
আরও এলএইচবি কোচ চালু করা হবে।
রেললাইন পাড় করার সময় ট্রেনের ধাক্কায় যাতে হাতিদের মৃত্যু রোধে সে বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও বেশি সংখ্যক মহিলা আরপিএফ নিযুক্ত করা হবে।
লেডিস স্পেশাল ট্রেনগুলিতে মহিলা আরপিএফ নিযুক্ত করা হবে।
লেভেল ক্রসিং-এর সংখ্যা কমানো হবে।
নতুন কোন লেভেল ক্রসিং তৈরি হবে না।
ট্রেন সুরক্ষা সতর্কতা প্রযুক্তি চালু করা হবে।
অ্যান্টি ট্রেন কলিসন প্রযুক্তি পরীক্ষা করা হবে।
ট্র্যাকগুলির উন্নতমানের করা হবে।
ক্ষতিগ্রস্থ রেলব্রিজ গুলিকে দ্রুত সারিয়ে ফেলা হবে।
অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাকে জোরদার করা হবে। ধোঁয়া চিহ্নিতকারী যন্ত্রের প্রয়োগ করা হবে।
২০১৪ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে কর্পোরেট সুরক্ষা প্রকল্পটি রূপায়িত করা হবে।
রেলে নারী সুরক্ষার বিষয়টি জোরদার করা হবে। মহিলাদের জন্য ৮টি আরপিএফ ইউনিট তৈরি করা হবে।
লোকাল ও মেট্রোতে মহিলা কামরা গুলির জন্য মহিলা আরপিএফ নিযুক্ত করা হবে।
পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের মত বিষয় গুলিতে জোর দেওয়া হবে।
যে স্টেশন গুলি কোন ধর্মস্থানের সঙ্গে যুক্ত এবং যে স্টেশনগুলি মোটা ১০ লক্ষ মানুষের কোন জনপদ সংলগ্ন সেই রকম ১০৪টি স্টেশন চিহ্নিত করে তাদের পরিস্কার
পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দিতে হবে।
ট্রেনের মধ্যে হাউস্কিপিং সুবিধা আনা হবে।
জামাকাপড় কাচার যান্ত্রিক সুবিধা আনা হবে।
বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেনের সময়সূচী নির্দেশক ইলেকট্রনিক বোর্ড চালু করা হবে।
বাছাই করা কিছু ট্রেনে বিনামূল্যে ওয়াইফাই পরিষেবা চালু করা হবে।
বাছাই করা ৯০০টির সঙ্ঘে আরও ৬০টি স্টেশ্নকে আপগ্রেড করা হবে।
রেলওয়ে স্টেশন গুলিতে ফার্স্ট এইড পরিষেবা চালু করা হবে।
রাজধানী ও সাহ্রাব্দি এক্সপ্রেসে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য অনুভূতি কোচ চালু করা হবে।
স্টেশনে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য লিফট ও এলিভেটর চালু করা হবে।
স্টেশন গুলিকে হুইল চেয়ার ব্যবহারের উপযুক্ত করে তুলতে হবে। বাড়াতে হবে হুইল চেয়ারের সংখ্যাও।
তৎকাল সহ আনুষঙ্গিক কয়েকটি পরিষেবায় চার্জ বাড়ছে
৫-৬ শতাংশ বাড়বে অতিরিক্ত আয়ের জন্য
ক্রমাগত জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধি রেল পরিষেবার খরচ বৃদ্ধি করে। ফলে জ্বালানির খরচ বৃদ্ধির সঙ্গে রেলের খরচে সামঞ্জস্য রাখতে নতুন প্রযুক্তি আমদানি করা হবে
মূল ভাড়ার মধ্যে জ্বালানিকে পৃথক অংশ হিসেবে রাখা হবে
জ্বালানি খরচ বাড়ার ফলে রেলের খরচ ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে
৫ শতাংশের কম হারে বাড়বে ফ্রেট
ফুয়েল অ্যাডজাসমেন্ট কম্পোনেন্ট (ফ্যাক)-কে শক্তিশালী করা হবে
এপ্রিলের ১ থেকে ফ্রেট ট্র্যাফিকে ফ্যাক চালু হবে।
যাত্রী ভাড়া না বাড়ানোয় রেলের উপর ৮৫০ কোটি টাকার প্রভাব পড়বে
পরিকাঠামো উন্নয়ন
১২ হাজার কিলোমিটার বৈদ্যুতিকরণ করা হবে
কলকাতায় একাধিক মেট্রো রেলের কাজ সম্পন্ন করা হবে
কলকাতায় ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে
মুম্বইতে প্রথম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মেমু (MEMU) চালু হবে
মুম্বইয়ে ৭২টি এবং কলকাতায় ১৮টি নতুন পরিষেবা চালু হবে
কলকাতায় ৮০টি রেলের রেক ৯ থেকে বাড়িয়ে ১২টি করা হবে
৫০০ কিমি নতুন রেলপথ তৈরি করা লক্ষ্য
২০১৩-১৪-এ রেলের নতুন প্রকল্প
নতুন লাইন
ভুপদেওপুর-রায়গড় (পিপিপি)
গেভরা রোড- পেনড্রা রোড (পিপিপি)
জয়সলমির- সানু
করাইকল-পেরালাম
রেওয়ারি-রোহটক (মাকরাউলি পর্যন্ত নতুন লাইন)
সুলতানপুর-কাদিপুর
থানজাভুর- পাট্টূকোট্টাই
মাভলি-বারি সাদরি সেকশনে গেজ পরিবর্তন
ডাবলিং
আলোয়ার-বান্দিকুই
চেন্নাই সেকশন-বেসিন ব্রিজ জাংশন (পঞ্চম এবং ষষ্ঠ লাইন)
দানিয়া-রাঁচি রোড
দাপ্পর-চণ্ডীগড়
গারওয়া রোড-রামনা
হাজিপুর-রামদয়ালু
জরাংডিহি-দানেয়া
পালানপুর-সমখিয়ালি
রায় বরেলি-আমেঠি
ভাতভা-আমেদাবাদ
বৈদ্যুতিকরণ
দিল্লি সরাই রোহিলা-রেওয়াড়ি-পালানপুর-আমেদাবাদ
কলোল-গান্ধীনগর-খোদিয়ার এবং আলোয়ার- বান্দিকুই জয়পুর-ফুলেরা
জখল-হিসার
জখল-ধুরি-লুধিয়ানা
রাজপুর-ধুরি-লুধিয়ানা
রাজপুর-ধুরি-লেহরা মোহাভাট
সিঙ্গাপুর রোড-দমনজোরি
পরিচ্ছন্ন রেল পরিষেবা
যাত্রী পরিষেবা উন্নয়নে দায়বদ্ধ রেল
পরিষেবা ও সুরক্ষার বিনিময় নতুন ট্রেন নয়
১০৪টি স্টেশন নির্দিষ্ট করে পরিচ্ছন্নতার জন্য নির্দিষ্ট করা হবে
আরও বেশি ট্রেনে বায়ো-টয়লেট তৈরি হবে
যাত্রীভাড়া ও ফ্রেট
বাড়ছে না যাত্রী-ভাড়া
তৎকাল সহ আনুষঙ্গিক কয়েকটি পরিষেবায় চার্জ বাড়ছে
৫-৬ শতাংশ বাড়বে অতিরিক্ত আয়ের জন্য
ক্রমাগত জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধি রেল পরিষেবার খরচ বৃদ্ধি করে। ফলে জ্বালানির খরচ বৃদ্ধির সঙ্গে রেলের খরচে সামঞ্জস্য রাখতে নতুন প্রযুক্তি আমদানি করা হবে
মূল ভাড়ার মধ্যে জ্বালানিকে পৃথক অংশ হিসেবে রাখা হবে
জ্বালানি খরচ বাড়ার ফলে রেলের খরচ ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে
৫ শতাংশের কম হারে বাড়বে ফ্রেট
ফুয়েল অ্যাডজাসমেন্ট কম্পোনেন্ট (ফ্যাক)-কে শক্তিশালী করা হবে
এপ্রিলের ১ থেকে ফ্রেট ট্র্যাফিকে ফ্যাক চালু হবে।
যাত্রী ভাড়া না বাড়ানোয় রেলের উপর ৮৫০ কোটি টাকার প্রভাব পড়বে
পরিকাঠামো উন্নয়ন
১২ হাজার কিলোমিটার বৈদ্যুতিকরণ করা হবে
কলকাতায় একাধিক মেট্রো রেলের কাজ সম্পন্ন করা হবে
কলকাতায় ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে
মুম্বইতে প্রথম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মেমু (MEMU) চালু হবে
মুম্বইয়ে ৭২টি এবং কলকাতায় ১৮টি নতুন পরিষেবা চালু হবে
কলকাতায় ৮০টি রেলের রেক ৯ থেকে বাড়িয়ে ১২টি করা হবে
৫০০ কিমি নতুন রেলপথ তৈরি করা লক্ষ্য
২০১৩-১৪-এ রেলের নতুন প্রকল্প
নতুন লাইন
ভুপদেওপুর-রায়গড় (পিপিপি)
গেভরা রোড- পেনড্রা রোড (পিপিপি)
জয়সলমির- সানু
করাইকল-পেরালাম
রেওয়ারি-রোহটক (মাকরাউলি পর্যন্ত নতুন লাইন)
সুলতানপুর-কাদিপুর
থানজাভুর- পাট্টূকোট্টাই
মাভলি-বারি সাদরি সেকশনে গেজ পরিবর্তন
ডাবলিং
আলোয়ার-বান্দিকুই
চেন্নাই সেকশন-বেসিন ব্রিজ জাংশন (পঞ্চম এবং ষষ্ঠ লাইন)
দানিয়া-রাঁচি রোড
দাপ্পর-চণ্ডীগড়
গারওয়া রোড-রামনা
হাজিপুর-রামদয়ালু
জরাংডিহি-দানেয়া
পালানপুর-সমখিয়ালি
রায় বরেলি-আমেঠি
ভাতভা-আমেদাবাদ
বৈদ্যুতিকরণ
দিল্লি সরাই রোহিলা-রেওয়াড়ি-পালানপুর-আমেদাবাদ
কলোল-গান্ধীনগর-খোদিয়ার এবং আলোয়ার- বান্দিকুই জয়পুর-ফুলেরা
জখল-হিসার
জখল-ধুরি-লুধিয়ানা
রাজপুর-ধুরি-লুধিয়ানা
রাজপুর-ধুরি-লেহরা মোহাভাট
সিঙ্গাপুর রোড-দমনজোরি
পরিচ্ছন্ন রেল পরিষেবা
যাত্রী পরিষেবা উন্নয়নে দায়বদ্ধ রেল
পরিষেবা ও সুরক্ষার বিনিময় নতুন ট্রেন নয়
১০৪টি স্টেশন নির্দিষ্ট করে পরিচ্ছন্নতার জন্য নির্দিষ্ট করা হবে
আরও বেশি ট্রেনে বায়ো-টয়লেট তৈরি হবে
৬০টি নতুন আদর্শ স্টেশন গড়ে তোলা হবে
বিজয়ওয়াড়া, নাগপুর, ললিতপুর, বিলাসপুর, জয়পুর এবং আহমেদাবাদে নতুন রেল ইউনিট গঠন করা হবে
৮ থেকে ১০টি লন্ড্রি তৈরি হবে
যাত্রী পরিষেবা
নতুন রেল সার্ভিস ব্যবস্থা
বেলা সাড়ে ১২টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টিকিট বুকিং
মোবাইল ফোনে ই-টিকিট বুকিং ব্যবস্থা
নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট বুকিং
নতুন ব্যবস্থা প্রতি মিনিটে ৭২০০ টিকিট বুক করা যাবে, এবনিন প্রতি মিনিটে ২০০০ টিকিট বুক করা যায়
এক সঙ্গে এক লক্ষ ২০ হাজার ব্যবহারকারী ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারবে
ওয়েবসাইটে জালিয়াতি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে
দশ হাজার ৭৯৭ লেভেল ক্রসিং তুলে দেওয়া হবে
রেলের কিচেনে আইএসও কোয়ালিটি দেখা হবে
রেলে আধারের পরিষেবা চালু হবে
নিউ দিল্লি স্টেশনে এক্সিক্যুটিভ লাউঞ্জ
স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে যাত্রীদের অবহিত করতে শিক্ষামূলক ট্রেন 'আজাদী এক্সপ্রেস' চালু হবে
ক্যাটারিং
নতুন ফুড টেস্টিং ল্যাবরেটারির সঙ্গে কাজ করবে রেল
প্রত্যেকটি বেস স্টেশনে আইএসও শংসাপত্র অত্যাবশ্যক
খাবার সংক্রান্ত অভিযোগ জানাবার জন্য নতুন টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০-১১১-৩১০
বিলাসপুর, নাগপুর, বিশাখাপত্তনম, নাগপুর, পাটনা, আগ্রা, জয়পুর এবং ব্যাঙ্গালোরে এক্সেকিউটিভ লাউঞ্জ চালু করা হবে।
কোল মাইন কানেকটিভিটির জন্য ৪০০০ কোটি টাকা ধার্য করা হবে।
অরুণাচলপ্রদেশ কে রেলওয়ে কানেকটিভিটির মধ্যে আনা হবে
দ্রুতগতিতে মণিপুরে নতুন লাইনের কাজ করা হবে।
নতুন প্রকল্প
বিলাসপুর-মানালি-লেহ
জম্মু-পুঞ্চ-আখুর
পাবলিক-প্রাইভেট প্রজেক্ট
৩০০০ কোটি টাকা পোর্ট কানেকটিভিটির জন্য
ফুট ওভার ব্রিজ
রেলওয়ে রাজ্য গুলির সঙ্গে গাটছাঁড়া বেধে স্টেশ্ন গুলিতে এফওবি তৈরি করবে
প্রত্যাশিতভাবেই পবন বনশলের রেলবাজেটকে কটাক্ষ করল বিজেপি। এই বাজেটকে দীশাহীন বলে আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতারা। বিজেপি নেতা গোপিনাথ মুন্ডা বলেছেন, " এটা রেল বাজেট নয়, রায়বেরিলি বাজেট।" মুন্ডে বলেছেন, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, বিহার, ছত্তিশগড়ের জন্য কোনও প্রকল্পই নেই। শুধু সোনিয়াকে খুশি করার জন্য তাঁর লোকসভা কেন্দ্র রায়বেরালিতে লোকদেখানো প্রকল্পের ঢল নামানো হয়েছে।
বিরোধীরা এদিন লোকসভায় হই হট্টগোলের মধ্যেই রেল বাজেটের সমালোচনা করে জানিয়েছে, এবারের রেল বাজেটে রেলের পুনরুজ্জীবনের জন্য কোনও সঠিক দিশাই নেই। এই বাজেটে রেলের কোনও লাভই হবে না।
সমাজবাদি পার্টির প্রধান মুলায়ম সিংহ যাদব জানিয়েছেন, "বহুবছর বাদে এত খারাপ জনবিরোধী রেল বাজেট পেশ হল।"কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম রেলবাজেটের প্রশংসা করেছেন। কংগ্রেস মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভি জানিয়েছেন, "পবন কুমার বনশল একটি জাতীয় রেল বাজেট পেশ করলেন।" ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ জানিয়েছেন, পরিষেবার উন্নতি ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের দিকে লক্ষ্য রেখে রেল বাজেট পেশ করে প্রশংসরা দাবি করতে পারেন রেলমন্ত্রী
ममता दीदी की शुरु की हुई परियोजनाएं खटाई में!महंगा होगा सफर!रेल से ढुलाई हुई महंगी!
ममता दीदी की शुरु की हुई परियोजनाएं खटाई में!महंगा होगा सफर!रेल से ढुलाई हुई महंगी!
एक्सकैलिबर स्टीवेंस विश्वास
तृणमूल कांग्रेस प्रमुख ममता बनर्जी की ओर से केंद्र की यूपीए सरकार से समर्थन वापस लेने के फैसले से पश्चिम बंगाल में चल रहीं हजारों करोड़ की परियोजनाओं की राह उलझ गई है!पवन बंसल के रेलवे बजट में बंगाल की कैसी उपेक्षा हुई है , इसके लिए सौगत राय का दिया यह उदाहरण काफी है कि चार हजार करोड़ की नोआपाड़ा बैरकपुर मेट्रो रेल परियोजना के लिए महज दस करोड़ का प्रावधान है। बहरहाल रेलमंत्री ने इस परियोजना को इसी साल पूरा कर लेने का संकल्प दोहराया है। इस चुनावी वायदे का मतलब समझ लीजिये।रेल मंत्री पवन बंसल ने संसद में रेल बजट पेश किया है। 17 साल के बाद पहली बार कांग्रेस के किसी मंत्री ने रेल बजट पेश किया है। कोलकाता से जुड़ी बाकी हजारों करोड़ की मेट्रो रेल परियोजनाओं के लिए १५० से २५० करोड़ रुपये दिये गये हैं।बंगाल में रेल मंत्रालय छोड़ने के बाद ममता बनर्जी की शुरु की गयी परियोजनाओं का क्या हश्र होता है, रेल बजट से यह जानने की बड़ी उत्सुकता थी। सवाल थेःक्या बजट में इस बार सरकार इतने धन का बंदोबस्त कर सकेगी? जिससे कि सालों से रुके हजारों करोड़ के प्रोजेक्ट एक बार फिर शुरू हो सके। इन प्रोजेक्ट्स का ऐलान तो किया गया लेकिन पैसे की कमी का हवाला देकर रेलवे ने इन पर काम शुरू करने से पहले ही हाथ खड़े कर दिए।कांग्रेस कोटे से राज्य का प्रतिनिधित्व कर रहे रेल राज्य मंत्री अधीर चौधरी जाहिर है कि कुछ खास नहीं कर पाये हैं।हकीकत तो यह है कि यूपीए हो या एनडीए पिछले डेढ़ दशक से रेलवे की लगातार खराब हो रही आर्थिक हालत को सुधारने के लिए रेल बजट में तमाम बड़ी घोषणाएं की गईं। राजनीतिक फायदे और जनता की वाहवाही लूटने के लिए करीब पौने दो लाख करोड़ के कई प्रोजेक्ट का ऐलान कर दिया गया, लेकिन इनमें से ज्यादातर प्रोजेक्ट या तो शुरू ही नहीं हुए या फिर बीच में ही रुक गए। पिछले पन्द्रह सालों में जितने प्रोजेक्ट की घोषणा रेल बजट में हुई है। उन सब को पूरा करने के लिए करीब 5 लाख करोड़ रूपये की जरूरत है।भारी वित्तीय संकट से जूझ रहे इस राज्य को केंद्र से विशेष पैकेज मिलने की उम्मीदें भी धूमिल हो गई हैं। इसी पैकेज के लिए मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने बार-बार यूपीए के फैसलों को लागू करने की राह में रोड़े अटकाए थे। उन्होंने राष्ट्रपति चुनाव में प्रणब की उम्मीदवारी का विरोध भी इसी वजह से किया था। लेकिन यूपीए सरकार से उनके समर्थन वापस लेते ही बंगाल पर संकट के बादल और गहरे हो गए हैं। इसके अलावा रेल मंत्रालय हाथ में रहते तृणमूल कांग्रेस ने जिन नई परियोजनाओं का शिलान्यास किया था उनका भविष्य भी अधर में लटक गया है।
17 साल बाद कांग्रेस कोटे से रेल मंत्री बने पवन बंसल ने पिछले दरवाजे से यात्री किराया बढ़ा दिया है। माल भाड़े में भी बढ़ोतरी की गई है। यात्री किराया फ्यूल एडजस्टमेंट चार्ज के नाम पर बढ़ा दिया गया है तो दूसरी तरह मुफ्त वाई-फाई की सुविधा का झुनझुना थमा दिया गया है। लेकिन माल भाड़े में बढ़ोतरी से महंगाई और बढ़ने की उम्मीद है। पवन बंसल ने लोकसभा में बजट भाषण पढ़ते हुए डीजल का दाम बढ़ने से रेलवे पर 3300 करोड़ का बोझ आने की दलील दी। उन्होंने कहा, 'माल भाड़े में बढ़ोतरी होगी। हर साल 5 से 6 फीसदी किराया बढ़ाया जाना चाहिए। साल में दो बार सरचार्ज तय है। हर टिकट पर फ्यूल सरचार्ज लगेगा। रिजर्वेशन और कैंसिलेशन चार्ज बढ़ाया गया। तत्काल टिकट महंगा किया जाएगा। सुपर फास्ट गाड़ियों के किराए बढ़ाए जाएंगे। तत्काल और सामान्य टिकट रद्द कराना भी अब महंगा होगा।' बंसल ने ऐलान किया है कि 67 नई एक्सप्रेस ट्रेनें, 27 पैसेंजर, 5 मेमो, 8 डेमो और 9 ईएमयू सर्विस वाली ट्रेनें इस बार शुरू की जाएंगी। वहीं, 58 गाड़ियों का विस्तार किया जाएगा। 24 ट्रेनों के फेरे बढ़ाए गए हैं। राजीव गांधी खेल रत्न, ध्यान चंद पुरस्कार जीतने वालों को रेलवे फर्स्ट क्लास और सेकंड एसी का पास मिलेगा। खिलाड़ियों को राजधानी में सफर करने के लिए मिले पास दुरंतो में भी लागू होंगे। वीरता पुरस्कारों से नवाजे गए लोगों के लिए भी एसी पास मिलेंगे। स्वतंत्रता सेनानियों के लिए खास प्रावधान। अब उन्हें हर 1 साल की जगह 3 साल में पास रिन्यू कराना होगा। पहाड़ी क्षेत्रों में चलने वाली ट्रेनें बरकरार रखी जाएंगी। इनका हेरिटेज महत्व है। नेशनल रेल म्यूजियम पर खास ध्यान रहेगा। कैटरिंग से जुड़ी शिकायतें अब टॉल फ्री नंबर 1800-111-321 पर दर्ज हो सकेंगी।बंसल के मुताबिक, 'माल ढुलाई का का किराया 5.8 फीसदी बढ़ सकता है। 25 साल में पहली बार रेलवे ने बजट के बाद कोई खास मांग नहीं रखी। 2011-12 में 3000 करोड़ रुपये का रेलवे ने ऋण लिया था। यह ऋण और ब्याज चुकाया जा चुका है। भारतीय रेल का ऋण चुकाने के लिए एक अलग ऋण फंड बनाने का प्रस्ताव है। नेट रेवन्यू में 6484 करोड़ रुपये की कमी आएगी। खर्चे कम करने के लिए ईंधन की खपत सही रखने पर ध्यान देना होगा। यात्रियों की संख्या में इजाफे की उम्मीद है। यात्री भाड़े से 32500 करोड़ रुपये की आमदनी का लक्ष्य है। पेंशन के लिए योगदान बढ़ेगा। इस साल 100 रुपये कमाई में से रेलवे को चलाने के लिए केवल 88.8 रुपये ही लगेगा। मुझे खुशी है कि हमने इसे 90 से कम करने में कामयाबी पाई। माल लदान का लक्ष्य 1047 मिलियन टन का रखा गया है।'
पढ़ें रेलमंत्री का पूरा भाषण:
http://www.indianrailways.gov.in/railwayboard/uploads/directorate/finance_budget/Budget_2013-14/Hindi_Speech_2013-14.pdf
करोड़ों की रेल परियोजनाएं
तृणमूल कांग्रेस प्रमुख ममता बनर्जी ने यूपीए सरकार के अब तक के कार्यकाल में रेल मंत्रालय के तहत बंगाल में लगभग 70 हजार करोड़ की लागत वाली दर्जनों नई परियोजनाओं की शुरूआत की या कराई थी। ममता के मुख्यमंत्री बनने के बाद रेल मंत्री चाहे दिनेश त्रिवेदी रहे हों या फिर मुकुल राय, रेल मंत्रालय का संचालन तो कोलकाता से ममता के इशारे पर ही होता था। इस दौरान राज्य में रेलवे की जितनी नई परियोजनाएं शुरू की गईं, वह अपने आप में एक रिकार्ड है। बंगाल के लिए नई-नई परियोजनाओं के एलान के साथ ही बजट आवंटन भी प्राथमिकता के आधार पर किया जाता था। अब तक राज्य के विभिन्न स्थानों पर रेलवे की 16 फैक्ट्रियां खोलने का एलान हो चुका है। इनमें से कुछ का काम आखिरी चरण में है।ममता ने टाटा की लखटकिया कार परियोजना और उस पर हुए विवादों के लिए सुर्खियों में रहे सिंगूर के लोगों को रोजगार उपलब्ध कराने के लिए वहां रेलवे की एक कोच फैक्टरी लगाने की घोषणा की थी।लेकिन अब उसका भविष्य अधर में लटक गया है। उसका तो अब तक काम भी शुरू नहीं हुआ है। राज्य में इन दिनों नई रेलवे लाइनें बिछाने और मीटर गेज को ब्राड गेज में बदलने का काम भी बड़े पैमाने पर चल रहा था। इसके अलावा 11 नई लाइनों के सर्वेक्षण का काम भी पूरा हो गया है। लेकिन अब इन परियोजनाओं का क्या होगा, लाख टके के इस सवाल का जवाब तृणमूल कांग्रेस के सांसदों-नेताओं के पास भी नहीं है।
रेल मंत्री पवन बंसल ने अपने भाषण में जरुर कहा कि कोलकाता में दमदम से लेकर नोआपाड़ा तक मेट्रो ट्रेन का काम मार्च 2013 तक पूरा कर लिया जाएगा।रेल बजट में बंगाल की यही एकमात्र उपलब्धि कही जा सकती है। मुंबई लोकल में एसी कोच लगाए जाएंगे। मुंबई में 72 और कोलकाता में 18 अतिरिक्त सेवाएं शुरू की जाएंगी। कोलकाता में 80 सेवाओं और चेन्नई में 30 सेवाओं में रेकों की संख्या 9 कार से बढ़ाकर 12 कार की गई है। वित्त वर्ष 2014 में 500 किलोमीटर नई लाइन बिछाई जाएगी और 750 किलोमीटर ट्रैक डबल होंगे।67 नई एक्सप्रेस गाड़ियां शुरू की जाएंगी और 26 नई पैसेंजर गाड़ियां शुरू की जाएंगी। 24 पैंसेजर ट्रेनों के फेरे बढ़ाए जाएंगे और 57 पैसेंजर ट्रेनों की दूरी बढ़ाई जाएगी। नई एक्सप्रेस गाड़ियों में प्रमुख ट्रेनें हैं - अहमदाबाद-जोधपुर एक्सप्रेस, बांद्रा टर्मिनस-हरिद्वार एक्सप्रेस, भुवनेश्वर-हजरत निजामुद्दीन एक्सप्रेस, गांधीधाम-विशाखापटनम एक्सप्रेस, हजरत निजामुद्दीन-मुंबई एसी एक्सप्रेस, हावड़ा-चेन्नई एसी एक्सप्रेस, जयपुर-लखनऊ एक्सप्रेस, निजामाबाद-लोकमान्य तिलक एक्सप्रेस, पुरी-अजमेर एक्सप्रेस और विशाखापटनम-जोधपुर एक्सप्रेस।
रायबरेली में रेल कारखाना, चंडीगढ़ में प्लांट
बंगाल में प्रस्तावित कारखानों और दीदी के घोषित छह अस्पतालों के बारे में रेलमंत्री ने एक शब्द भी नहीं कहा।दीदी के बंगाल केंद्रित बजट के बजाय रेल बजट में रेल मंत्री पवन बंसल ने पलक्कड़ और कोलार में नई रेल कोच फैक्टरी स्थापित करने का ऐलान किया है। साथ ही रायबरेली में आरआईएनएल के साथ मिलकर रेल पहिये का कारखाना लगाने की योजना है। चंडीगढ़ में सिग्नल बनाने का प्लांट लगाने का ऐलान किया गया है। राज्य सरकार और बीएचईएल के सहयोग से राजस्थान के भीलवाड़ा में ग्रीनफील्ड मेनलाइन इलेक्ट्रिकल मल्टीपल यूनिट स्थापित की जाएगी। राज्य सरकार के सहयोग से आंध्रप्रदेश के कुरनूल में मिडलाइफ पुनर्स्थापन कारखाना लगाया जाएगा।बड़ी लाइन के मालडिब्बों की ओवरहॉलिंग के लिए बीकानेर और प्रतापगढ़ में कारखाने लगाए जाएंगे। मिस्रोड (मध्य प्रदेश) में मोटराइज्ड बोगियों की मरम्मत और पुनर्स्थापन के लिए कारखाना लगाया जाएगा। कालाहांडी (ओडिशा) में वैगन मेंटनेंस और सोनीपत में कोच मैन्यूफैक्चरिंग यूनिट लगाने का ऐलान किया गया है।
ये मिला राजस्थान को
जयपुर को मिलेगा रेल नीर बॉटलिंग प्लांट
भीलवाड़ा को मिलेगी रेलवे कोच फैक्ट्री
जयपुर में रेलवे लाउंज की सुविधा भी दी जाएगी।
देश में नई ट्रेनें
67 नई एक्सप्रेस ट्रेनें और 27 पैसेंजर ट्रेने शुरू होंगी
58 गाड़ियों का विस्तार किया जाएगा। 24 ट्रेनों के फेरे बढ़ाए गए हैं।
राजस्थान को क्या मिला
ये नई ट्रेनें शुरू करने का प्रस्ताव
अहमदाबाद-जोधपुर एक्सप्रेस (वाया समदड़ी भीलड़ी)
बांद्रा टर्मिनस से जैसलमेर (साप्ताहिक)
बांद्रा टर्मिनस से हिसार (वाया जोधपुर)
बीकानेर-चेन्नई (वाया जयपुर सवाई माधोपुर)
दिल्ली से सीकर (सप्ताह में दो दिन, अमान परिवर्तन के बाद)
दुर्ग-जयपुर एक्सप्रेस (साप्ताहिक)
जयपुर-लखनऊ एक्सप्रेस (सप्ताह में तीन दिन)
जयपुर-अलवर एक्सप्रेस (प्रति दिन)
जोधपुर-जयपुर एक्स्प्रेस दैनिक (वाया फुलेरा)
जोधपुर-कामख्या गुवहाटी एक्सप्रेस (साप्ताहिक वाया रतनगढ़, डेगाना)
अजमेर-पुरी एकस्प्रेस (साप्ताहिक वाया आबू रोड)
बीकानेर-रतनगढ़ पैसेंजर (दैनिक)
लुहारू-सीकर पैसेंजर (दैनिक अमान परिवर्तन के बाद)
सूरतगढ़-अनूपगढ़ पैसेंजर (दैनिक)
श्रीगंगानगर-हनुमानगढ़-सादुलपुर पैसेंजर (दैनिक अमान परिवर्तन के बाद)
गाड़ियों का विस्तार
अजमेर-जलपाईगुड़ी एक्सप्रेस अब उदयपुर तक
अजमेर किशनगढ़ एक्सप्रेस अब न्यू जलपाईगुड़ी तक
इलाहबाद मथुरा एक्स्प्रेस अब जयपुर तक
दिल्ली (सराय रोहिल्ला) सादुलपुर एक्स्प्रेस अब सुजानगढ़ तक
जबलपुर जयपुर एक्स्प्रेस अब अजमेर तक
कोटा हनुमानगढ़ एक्स्प्रेस अब श्रीगंगानगर तक
रतलाम चित्तौड़गढ एक्स्प्रेस अब उदयपुर तक
श्रीगंगानगर हरिद्वार एक्स्प्रेस अब ऋषिकेश तक
अजमेर ब्यावर पैसेंजर अब मारवाड़ तक
बेंगलुरू नागौर पैसेंजर अब करईकल तक
कहां लाउंज की सुविधा
नई दिल्ली, बिलासपुर, पटना, जयपुर, आगरा, नागपुर, विशाखपट्टनम, बेंगलुरु रेलवे स्टेशन पर लाउंज की सुविधा दी जाएगी।
कई ट्रेनों में मुफ्त वाई-फाई की सुविधा
रेलनीर के 6 नए बॉटलिंग प्लांट लगाने की घोषणा
रेलवे कैटरिंग में प्लास्टिक के इस्तेमाल पर रोक लगाने की कोशिश की जाएगी।
'रायबरेली, प्रतापगढ़, सोनीपत, कालाहांडी, भीलवाड़ा, कुरनूल, पालाकार्ड में रेल आधारित नए उद्योग लगाए जाएंगे।
राजधानी और शताब्दी जैसी ट्रेनों की तर्ज पर आधुनिक यात्री सुविधाओं से युक्त डिब्बे चुनिंदा गाड़ियों में लगाए जाएंगे।
इन डिब्बों में बायो टायलेट लगाए जाएंगे।
इंटरनेट पर रेलवे रिजर्वेशन बुकिंग रात 12.30 से अगली रात 11.30 तक खुलने और मोबाइल से ई टिकट
रेल भूमि विकास प्राधिकरण के लिए 1000 करोड़ का लक्ष्य है।
रेल स्टेशन विकास प्राधिकरण के लिए 1000 करोड़ रुपए का प्रस्ताव भी है।
कर्मचारी क्वॉर्टरों के लिए 300 करोड़ रुपए दिए जा रहे हैं। ऐसे क्वॉर्टर पीपीपी मॉडल के तहत बनाए जाएंगे।
नागपुर में एक इलेक्ट्रॉनिक ट्रेनिंग इंस्टीट्यूट स्थापित किया जाएगा।'
माता वैष्णो देवी में दर्शन के लिए यात्री पर्ची ट्रेन के भीतर ही मिलेगी।
आजादी एक्सप्रेस नाम से नई ट्रेन चलाई जाएगी जो लोगों को उन स्थानों पर ले जाएगी जो देश की आजादी के लिहाज से अहम है।
अरुणाचल प्रदेश और मणिपुर को रेल नेटवर्क में शामिल किया जा रहा है।
फिरोजपुर और अटारी के बीच रेल संपर्क पर विचार किया जा रहा है।
राजीव गांधी खेल रत्न, ध्यान चंद पुरस्कार जीतने वालों को रेलवे फस्र्ट क्लास और सेकंड एसी का पास दिया जाएगा।
सरचार्ज के जरिए होगा रेल किराया महंगा, सुपरफास्ट सरचार्ज व फ्यूल सरचार्ज से किराए बढेंगे
तत्काल टिकिट खरीदना भी महंगा हो गया है।
आरक्षण करवाना व टिकिट रद्द करवाना भी पहले से मंहगा
महिलाओं की सुरक्षा के लिए विशेष रेलवे पुलिस टीम का गठन किया गया है।
फिलहाल अभी चार कंपनियां महिलओं की सुरक्षा व्यवस्था की निगरानी करेंगी।
रेल मंत्री पवन बंसल ने अपने भाषण में भारतीय रेल को वित्तीय मजबूती देने पर जोर दिया। साथ ही लागत में बढ़ोतरी पर चिंता जताई। लेकिन मालभाड़े में बढ़ोतरी कर ही लागत को कम करने की वकालत की।वित्त वर्ष 2013 में रेलवे को 24,600 करोड़ रुपये का घाटा होने का अनुमान है, जबकि पिछले साल घाटा 22,500 करोड़ रुपये रहा था। रेलवे का घाटा आगे और बढ़ने का अनुमान है। साथ ही पैसों की कमी के चलते रेलवे के कई प्रोजेक्ट अधर में लटके हुए हैं।गौरतलब है कि पिछला रेल बजट रेल मंत्री रहीं ममता बनर्जी ने पेश किया था जिसमें आम आदमी का पूरा ख्याल रखा गया। विपक्षी दलों ने तो उस बजट को आम आदमी का बजट कहा था। रेल मंत्री ममता बनर्जी ने संसद में लोकलुभावन रेल बजट पेश किया। ना यात्री किराए बढ़ाए गए, ना माल भाड़े में वृद्धि की गई। बजट पेश करने से पहले ही रेल मंत्री ने दावा कर लिया था कि यह बजट आम आदमी का होगा। रेल बजट में गरीबों को छत, सैनिकों के लिए नौकरी, महिलाओं का भी विशेष ध्यान रखा गया है। साथ ही छात्रों के लिए नई ट्रेनों की घोषणा भी की गई।
महंगे डीजल को देखते हुए रेलवे ने मालभाड़े को बढ़ाने का फैसला किया है। 1 अप्रैल से मालभाड़ा 5 फीसदी बढ़ेगा।रेल मंत्री पवन बंसल ने बजट में मालभाड़े में फ्यूल-एडजेस्टेड कंपोनेट जोड़ने का ऐलान किया है। इसका मतलब है कि डीजल के दाम बढ़ने के साथ मालभाड़ा भी बढ़ता चला जाएगा।पवन बंसल के मुताबिक डीजल की कीमतें बढ़ने की वजह से रेलवे पर 3300 करोड़ रुपये का अतिरिक्त बोझ पड़ा है। बिजली और डीजल महंगा होने से 2013-14 में रेलवे पर 5100 करोड़ रुपये का बोझ पड़ने का अनुमान है।
एक शब्द अक्सर इस्तेमाल होता है फिस्कल डेफिसिट यानी वित्तीय घाटा, जिसे लेकर इकोनॉमिस्ट और विदेशी निवेशक काफी हायतौबा मचाते हैं, आखिर ये फिस्कल डेफिसिट है क्या, क्यों बार-बार वित्तमंत्री भरोसा दिलाते हैं कि इसे बढ़ने नहीं दिया जाएगा। आइए इसी पहेली को समझते हैं।फिस्कल डेफिसिट का सीधा मतलब है आमदनी अठन्नी और खर्चा रुपैया। यानि सरकार जितना कमाती है उससे ज्यादा खर्च करती है। ये स्थिति किसी भी देश या आपके घर के लिए भी ठीक नहीं हो सकती। इसीलिए दुनियाभर की रेटिंग एजेंसियां और इकोनॉमिस्ट इस पर नजर बनाए हुए हैं और देखना चाहते हैं कि वित्त मंत्री इस बार बजट में क्या आंकडा पेश करते हैं।प्रणव मुखर्जी जब वित्त मंत्री थे तो उन्होंने वित्त वर्ष 2013 के लिए 5.1 फीसदी और वित्त वर्ष 2014 के लिए 4.5 फीसदी का लक्ष्य रखा था। लेकिन जब पी चिदंबरम वित्त मंत्री बने तो उन्होंने वित्त वर्ष 2013 का लक्ष्य बढाकर 5.3 फीसदी कर दिया और वित्त वर्ष 2014 के लिए 4.8 फीसदी का लक्ष्य रखा, जो वर्तमान हालात में प्रैक्टिकल है।हालांकि एसएंडपी जैसी रेटिंग एजेंसी ने बढ़ते घाटे को देखते हुए भारत की सॉवरेन रेटिंग घटाने की चेतावनी दी है। ग्रोथ में गिरावट और सब्सिडी जैसे खर्चों पर काबू नहीं होना घाटा बढ़ना सबसे बड़ी वजह है। चूंकि सरकार ने डीजल डीकंट्रोल करके फ्यूल सब्सिडी पर काबू पाने की कोशिश की है जिसका असर देखने को मिलेगा। इसीलिए बजट में वित्तीय घाटे के आंकड़े पर सबकी नजर रहेगी।
रेल मंत्री पवन बंसल पर भी फिस्कल डेफिसिट यानी वित्तीय घाटा का भूत सवार है ौर लटकी परियोजनाओं पर कुल्हाड़ी चलाने में यही सबस बड़ी वजह है।रेल मंत्री पवन बंसल ने आज संसद के लोकसभा में रेल बजट पेश कर दिया है और वो बजट पर बोल रहे हैं। इससे पहले आज 10 बजे संसद के प्रांगण में बजट से जुड़े सारे दस्तावेज लाए गए जहां उन कागजों की सुरक्षा जांच की गई। इसके बाद दोपहर 11 बजे रेल मंत्री संसद पहुंचे और दोपहर 12 बजे रेल मंत्री पवन कुमार बंसल ने लोकसभा में रेल बजट पेश कर दी। पब्लिक प्राइवेट पारटनरशिप के आधार पर फिरोजपुर और पट्टी के बीच सीधी लाइन बिछाई जाएगी। मणिपुर के लिए नई रेल लाइन का काम तेजी से जारी है। 12वीं योजना में पीपीपी मॉडल पर करीब एक लाख रुपए के निवेश का लक्ष्य है। स्टेशन डिवलपमेंट कॉरपोरेशन के लिए एक हजार करोड़ का बजट। फुट ओवर ब्रिज की मांग काफी तेजी से उठती रही है और रेलवे राज्य सरकारों के साथ मिलकर कई जगहों पर फुट ओवर ब्रिज बनाने का काम करेगी। रेलवे से जुड़े उद्योग को बढ़ावा दिया जाएगा। दूसरी ओर बजट पेश होने के बाद नई ट्रेनों के ऐलान पर लोकसभा में हंगामा मचा और सदन स्थगित कर दिया गया।
मालभाड़ा बढ़ने से सीमेंट, फर्टिलाइजर और खनन कंपनियों पर सबसे ज्यादा मार पड़ेगी। जेके लक्ष्मी सीमेंट ने साफ कर दिया है कि मालढुलाई भाड़े में बढ़ोतरी का बोझ ग्राहकों पर डाला जाएगा।
जेके लक्ष्मी सीमेंट के सीएफओ सुधीर बिडकर का कहना है कि मालभाड़े में 5 फीसदी बढ़ोतरी होने से कंपनी के प्रति टन सीमेंट पर 25 रुपये और प्रति बैग 1.5-2 रुपये की बढ़ोतरी होने की संभावना है। कंपनियों का 45 से 50 फीसदी माल रेलवे से ढुलाई होती है और जेके लक्ष्मी सीमेंट का 52 फीसदी माल रेलवे से जाता है।
रेल मालभाड़े में बढ़ते होने से कंपनी रेल की बजाए सड़क से ट्रांसपोर्ट नहीं बढ़ाएगी क्योंकि रेलवे से ढुलाई सड़क की तुलना में 15-20 फीसदी सस्ती पड़ती है। केवल उन्हीं स्थानों पर रोड ट्रांसपोर्ट को अपनाना पड़ता है जहां रेल की सुविधा नहीं मिल पाती है।
रेल बजट : मुख्य बिंदु
- कुछ रेलगाड़ियों पर मुफ्त वाई-फाई सेवा दी जाएगी
- नई दिल्ली में स्टेशनों के सुधार के लिए 100 करोड़ रुपये
- ए-1 और अन्य चुने हुए स्टेशनों पर 179 एस्केलेटरों और 400 लिफ्ट का प्रावधान
- मोबाइल फोन से ई-टिकटिंग
- आरक्षण स्थिति पर यात्रियों को एसएमएस अलर्ट
- 2013 के आखिर तक अगली पीढ़ी की ई-टिकटिंग प्रणाली
- मरम्मत के लिए 17 पुलों की पहचान
- धुआं और अग्नि का पता लगाने वाली प्रणाली शामिल
- गार्ड वैन में अग्निशामक उपकरण (फायर एक्स्टींग्वीशर) रखा जाएगा
- 10 सालों के लिए कारपारेट योजना तैयार होगी
- महिला सुरक्षा के लिए महिला आरपीएफ कर्मियों की चार कम्पनियां गठित। आठ और कम्पनियों का गठन होगा
- छह और रेल नीर बॉटलिंग संयंत्र स्थापित होंगे
- नुकसान 2011-12 के 22,500 करोड़ रुपये से बढ़कर 2012-13 में 24,600 करोड़ रुपये।
- योजना आयोग ने 12वीं योजना के लिए 125.19 लाख करोड़ रुपये निर्धारित किए।
- दुर्घटनाओं में कमी - प्रति 10 लाख में दुर्घटनाओं का अनुपात 0.41 से घटकर 0.13।
- 31,846 मानव रहित फाटकों को समाप्त करने का लक्ष्य।
टिकट पर सरचार्ज लेकर क्या आपको रेलवे प्लेटफार्म पर स्वच्छ पेयजल और सुरक्षा मिलने की गारंटी दे पाएंगे रेलमंत्री... देखें क्या रहा खास इस रेल बजट में...http://is.gd/cA0SSY
रेल बजट में 67 नई एक्सप्रेस ट्रेनें, 27 पैसेंजर ट्रेनें, 5 मेमू तथा 8 डेमू की सूची देखें वनइंडिया के इस लिंक पर-
http://hindi.oneindia.in/news/2013/02/26/india-rail-budget-2013-list-of-new-trains-230105.html
http://khabar.ibnlive.in.com/photogallery/4428-8
जिंदल स्टील एंड पावर के डायरेक्टर और सीएफओ सुशील मारु का कहना है कि डीजल के बढ़ते दामों के हिसाब से रेलवे मालभाड़े में बढ़ोतरी करना रेलवे के लिए काफी अच्छी खबर है। रेलवे के मालभाड़े में वृद्धि होने का अनुमान कंपनी को पहले ही था और कंपनी खुद को इसके लिए तैयार कर चुकी थी। मालभाड़े में हुई 5 फीसदी बढ़त से कंपनी के तैयार माल पर करीब 1 फीसदी का असर पडे़गा। हालांकि प्रति टन स्टील के उत्पादन पर कितना असर पड़ेगा अभी ये कहना मुश्किल है। कंपनी इस बढ़ोतरी का असर ग्राहकों पर डालेगी और उत्पादों के दाम बढ़ाए जा सकते हैं।
12वीं पंचवार्षिक योजना के तहत रेलवे को 5.19 लाख करोड़ रुपये की जरूरत होगी, जिसमें 1.94 लाख करोड़ रुपये की बजटीय आवंटन का समावेश होगा। 12वीं पंचवर्षीय योजना के तहत पब्लिक-प्राइवेट पार्टनरशिप और आंतरिक संसाधनों के जरिए 1.05 लाख करोड़ रुपये की पूंजी जुटाई जाएगी। रेलवे के 1 अरब टन मालढुलाई के क्लब में शामिल होने की उम्मीद है, अब तक इस क्लब में चीन, रूस और अमेरिका शामिल हैं।
वित्त वर्ष 2013 में रेलवे को 1.94 लाख करोड़ का बजटीय आवंटन मिला है। सेंट्रल रोड़ फंड से रेलवे को 5000 करोड़ रुपये की जगह 1100 करोड़ रुपये ही मिले हैं।
पवन बंसल ने कहा है कि रेलवे को 2012 में वित्त मंत्रालय से 3000 करोड़ रुपये का कर्ज लेना पड़ा है। रेलवे ने ये कर्ज ब्याज समेत वित्त मंत्रालय को लौटा दिया है। रेलवे की कोशिश कर रहा है कि वित्त वर्ष 2013 का अंत सरप्लस के साथ हो।
वित्त वर्ष 2014 में रेलवे का बाजार से 15103 करोड़ रुपये की पूंजी जुटाने का लक्ष्य है। वित्त वर्ष 20147 में रेलवे की ग्रॉस ट्रैफिक रिसिप्ट 1.44 लाख करोड़ रुपये रहने की उम्मीद है। रेलवे इंफ्रा प्रोजेक्ट के लिए बजटीय आवंटन पर निर्भरता कम करना चाहता है।
अर्थव्यवस्था में सुस्ती की वजह से रेलवे के मालढुलाई में 10 करोड़ टन की कमी आई है। रेलवे को उम्मीद है कि मालढ़ुलाई से होने की आय में 9 फीसदी की बढ़ोतरी होगी। 2013-14 के लिए रेलवे ने 1047 लाख टन मालढ़ुलाई का लक्ष्य रखा है।
किरायों में फेर-बदल नहीं, फिर भी महंगा होगा सफर
रेल मंत्री ने रेल किरायों में कोई बढ़ोतरी नहीं करने का ऐलान किया। रेल बजट के तहत यात्री किरायों में कोई फेरबदल नहीं किया गया है। हालांकि तत्काल और रिजर्वेशन शुल्क में बढ़ोतरी का प्रस्ताव है। साथ ही सुपरफास्ट चार्ज में बढ़ोतरी होगी। साथ ही टिकट रद्द करवाने के लिए भी अब ज्यादा पैसे देने होंगे।हालांकि 22 जनवरी 2013 को बढ़ाए गए रेल किरायों पर रेल मंत्री पवन बंसल ने कहा कि किरायों में बढ़ोतरी को मुनाफे के रूप में नहीं देखना चाहिए। रेल मंत्रालय की एक स्वतंत्र रेल टैरिफ अथॉरिटी बनाए जाने की योजना है। तेल कीमतों में बढ़ोतरी से मालढुलाई भाड़ा औसतन 5 फीसदी बढ़ाया गया है।
यात्री किरायों में बढ़ोतरी नहीं करने के बावजूद भले ही स्लीपर क्लास और सेकेंड क्लास के रिजर्वेशन शुल्क में कोई बदलाव नहीं हुआ है, लेकिन स्लीपर क्लास में तत्काल शुल्क 15-25 रुपये पर बढ़ा। एसी-2 टियर में तत्काल शुल्क 100 रुपये और एसी-3 टियर में तत्काल शुल्क 50 रुपये बढ़ा है।
वहीं एसी चेयर कार और एसी इकोनॉमी क्लास में रिजर्वेशन शुल्क 15 रुपये बढ़ गया है। एसी-2, एसी-3 सुपरफास्ट शुल्क 15 रुपये और एसी-1 सुपरफास्ट शुल्क 25 रुपये बढ़ गया है। सेकेंड क्लास का सुपरफास्ट शुल्क 5 रुपये, स्लीपर का 10 रुपये और एसी चेयर कार का 15 रुपये बढ़ गया है।
रेल बजट में राजधानी और शताब्दी ट्रेनों की बढ़ती लोकप्रियता को देखते हुए रेलवे ने एक्सप्रेस ट्रेनों में 1 नया लग्जरी अनुभूति कोच जोड़ने का फैसला किया है।
पवन बंसल के मुताबिक दिल्ली के 3 स्टेशनों का आधुनिकरण करने के लिए 100 करोड़ रुपये खर्च किए गए हैं। इसके अलावा 60 और मॉडल स्टेशनों की लिस्ट तैयार की जाएगी।
विकलांगों के लिए रेल स्टेशनों पर 400 लिफ्ट और 179 एस्केलेटर लगाए जाएंगे। विकलांग व्यक्तियों के लिए कुछ जेटीबीएस आरक्षित की जाएगी। रेलवे की ट्रेनों में वाई-फाई सिस्टम लगाने की योजना है। रेल सेवाओं में आधार का इस्तेमाल जल्द शुरू किया जाएगा।
रेल मंत्रालय की साल के अंत तक नेक्स्ट जनरेशन ई-टिकटिंग सिस्टम को लागू करने की योजना है। नई ई-टिकटिंग सिस्टम के तहत प्रति मिनट 7,200 टिकटें बुक की जा सकेंगी। इंटरनेट रेलवे बुकिंग का समय सुबह 12:30 बजे से लेकर रात 11:30 बजे होगा। मोबाइल फोन के जरिए टिकट बुक करने की सुविधा शुरू की जाएगी। यात्रियों की सुविधा के लिए रेल टिकट की बुकिंग के लिए आधार कार्ड मान्य होगा। यात्रियों को रिजवर्शेन संबंधित सूचना देने के लिए जल्द एसएमएस सेवा अमल में लाई जाएगी।
स्वतंत्रता संग्राम से जुड़े स्थानों की यात्रा करने के लिए रियायती दरों पर नई ट्रेन आजादी एक्सप्रेस शुरू की जाएगी। स्वतंत्रता सेनानियों को अब हर 3 साल में अपने पास का नवीनीकरण करना होगा, जबकि पहले 1 साल में पास का नवीनीकरण करना पड़ता था।
कटरा-वैष्णोदेवी तीर्थयात्रियों के लिए एकसमान रेल-बस टिकट को लागू करने की योजना है। रेलवे टिकट बुकिंग के समय रेल द्वारा यात्रा कर रहे तीर्थयात्रियों को माता वैष्णो देवी श्राइन के लिए यात्रा पर्ची जारी करने की योजना है। जम्मू एवं कश्मीर राज्य सरकार के सहयोग से मल्टी-मॉडल ट्रैवल पैकेज की शुरुआत की जाएगी।
पवन बंसल के मुताबिक रेलवे दुर्घटना रहित बनाने के लिए प्रयास में जुटी है। कुल दुर्घटनाओं में से 40 फीसदी दुर्घटनाएं लेवल क्रॉसिंग पर होती हैं। सरकार की 10797 लेवल क्रॉसिंग को हटाने की योजना है।
आधुनिकीकरण के लिए ऐसे 104 रेल स्टेशनों की सूची तैयार की जाएगी, जहां जनसंख्या 10 लाख से ज्यादा है या वो जगह धार्मिक स्थलों में आती है। गाड़ियों में बायो-टॉयलेट्स की व्यवस्था की जाएगी। ऑन बोर्ड हाउसकिपिंग स्कीम और क्लीन ट्रेन स्कीम का और अधिक स्टेशनों एवं गाड़ियों में विस्तार किया जाएगा। अनारक्षित टिकट प्रणाली (यूटीएस), ऑटोमैटिक टिकट वेंडिंग मशीनों (एटीवीएम), कॉइन-ऑपरेटेड वेंडिंग मशीनों (सीओ-टीवीएम) और जन-साधारण टिकट बुकिंग सेवा (जेटीबीएस) योजना का विस्तार किया जाएगा।
विजयवाड़ा, नागपुर, ललितपुर, बिलासपुर, जयपुर और अहमदाबाद में 6 और रेल नीर बॉटलिंग प्लांट की स्थापना की जाएगी। चुनिंदा गाड़ियों में एक ऐसी पायलट परियोजना शुरू करने की योजना है जिससे यात्री कोच की सफाई और रियल टाइम फीडबैक के संबंध में एसएमएस या फोन कॉल और ई-मेल के जरिए ऑन बोर्ड कर्मचारियों से आसानी से संपर्क किया जाने की सुविधा अमल में लाई जाएगी। लिनेन की बेहतर धुलाई के लिए 8-10 और यंत्रीकृत लॉन्ड्रियां स्थापिक की जाएंगी।
गाड़ियों में उद्घोषणा सुविधा और इलेक्ट्रॉनिक डिस्प्ले बोर्डों का प्रावधान किया जाएगा। रेलवे स्टेशनों पर प्राथमिक चिकित्सा सेवाओं के लिए एनजीओ की मदद ली जाएगी। थर्ड पार्टी की तरफ से ऑडिट और भोजन के क्वालिटी कंट्रोल के लिए प्रयोगशालाओं के साथ करार करने की योजना है। रेलवे परिसरों में आईएसओ प्रमाणित अत्याधुनिक किचन स्थापित किए जाएंगे। टोल फ्री नंबर (1800111321) के जरिए केंद्रीकृत खानपान सेवा निगरानी कक्ष की स्थापना की जाएगी।
महिला यात्रियों की सुरक्षा के लिए 4 महिला आरपीएफ टुकड़ियों का गठन किया जा चुका है। साथ ही, रेलवे की 8 और महिला आरपीएफ टुकड़ी बनाने की योजना है। रेलवे की सुरक्षा अलर्ट सिस्टम लागू करने की योजना है। 10 साल के लिए कॉरपोरेट सेफ्टी प्लान बनाने का भी विचार है।
वहीं जल्द ही कमजोर वर्गों और शारीरिक रूप से कमजोर वर्गों के खाली पड़े 47,000 पदों को भरा जाएगा। नागपुर में बहुआयामी ट्रेनिंग इंस्टीट्यूट स्थापित किया जाएगा। इसके अलावा रेल अधिकारियों को वित्तीय प्रबंधन का प्रशिक्षण देने के लिए सिकंदराबाद में इंडियन रेलवे इंस्टीट्यूट स्थापित की जाएगी।
सौर और पवन ऊर्जा की क्षमता का उपयोग करने के लिए रेल ऊर्जा प्रबंधन कंपनी का स्थापना की जाएगी। 75 मेगावॉट की क्षमता वाले पवन चक्की संयंत्रों की स्थापना की जाएगी। रेलवे की तरफ से कृषि आधारित और रि-साइकिल किए गए कागज का अधिक उपयोग और खान-पान में प्लास्टिक के उपयोग पर प्रतिबंध लगाने पर जोर दिया जाएगा।
बीईएमएल के सीएमडी पी द्वारकानाथ का कहना है कि इस रेल बजट से कंपनी के लिए अच्छी खबरें निकलकर सामने आई हैं। कंपनी को नए ऑर्डर मिलने की उम्मीद बढ़ी है। मुंबई में ईएमयू की संख्या बढने से कंपनी को नए कोच के ऑर्डर मिलने की आशा है। इसके अलावा अनुभूति कोच के आने से भी कंपनी को नए एनर्जी कोच बनाने के आर्डर मिलेंगे। इसके अलावा यात्रियों के लिए नए सुविधायुक्त कोच लगाए जाने से भी कंपनी को नए और मॉर्डन कोच के लिए ऑर्डर मिलेंगे।
हादसे रोकने के लिए नई तकनीक पर जोर
रेल मत्री पवन बंसल ने कहा कि ट्रेनों की टक्कर रोकने के लिए काम करने की जरूरत है। रेल का विकास जरूरी है। महिला यात्रियों की सुरक्षा के लिए सुरक्षा के इंतजाम किए जाएंगे। उनके लिए एक अलग हेल्पलाइन नंबर होंगे। चार महिला सुरक्षा बल तैनात किए जाएंगे। प्लेटफॉर्म को बेहतर बनाना। युवाओं के लिए निशुल्क वाई फाई सुविधा मुहैया कराना। आनंद विहार स्टेशन टर्मिनल के बाद दिल्ली, नई दिल्ली, हजरत निजामुद्दी में 100 करोड़ के सुधार के काम शुरू कर दिए गए हैं। शताब्दी और राजधानी एक्सप्रेस में और भी सुविधाओं की मांग हो रही है। इसके हिसाब से डिब्बे लगाए जाएंगे जिनका नाम अनुभूति होगा और इस सुविधा के लिए किराए भी भिन्न होंगे। आधार स्कीम का इस्तेमाल रेलवे में किया जाएगा। इस कलैंडर के अंत में सरल उपयोग के लिए ई टिकट का प्रयोग करने जा रहे हैं। 7 हजार 200 टिकट सपोर्ट किए जाते हैं, हालांकि फिलहाल ये करीब 2 हजार टिकट ही सपोर्ट किए जाते हैं।
खान पान की स्थिति सुधारने का भी दावा
अत्याधूनिक किचन बनाने पर जोर दिया जाएगा। 18 जनवरी 2013 से केंद्रीय कृत निगरानी ने काम करना शुरू कर दिया है। जो खानपान से जुड़े शिकायतों पर कार्रवाई करता है। आजादी एक्सप्रेस नाम से गाड़ी चलाने का रेलवे का इरादा है। जिससे देश के युवा भारतीय स्वतंत्रा संग्राम से जुड़े जानकारी हासिल कर सकेंगे। रेल मंत्री ने कहाकि बुजुर्ग यात्रियों के लिए कई स्टेशनों पर इस्केलेटर और लिफ्ट लगाए जाएंगे और स्टेशनमों पर व्हीलचेयर और बैटरी से चलने वाला सिस्टम लगाया जाएगा। यात्रियों और कर्मचारियों से संबंधित सेवाओं में आधार स्कीम का उपयोग किया जाएगा। मोबाइल के जरिए टिकट बुक किए जा सकेंगे। सभी क्लास के यात्रियों के लिए केटरिंग की बेहतक व्यवस्था की जाएगी और बेस किचन बढ़ाए जाएंगे। सभी बेस किचन का आईएसओ सर्टिफिकेशन होगा।विदेशी यात्रियों की रेल यात्रा को बेहतर बनाया जाएगा।
लेव क्रॉसिंग खत्म करने की तैयारी
दिल्ली के अलावा 7 और स्टेशनों पर आधुनिक यात्री सुविधा सिस्टम बनाया जाएगा और एक्जीक्यूटिव लाउंज बनेंगे। जम्मू से उधमपुर और अन्य जगहों के लिए रेल-बस टिकच की व्यवस्था होगी। रेल मंत्री ने लोकसभा में बताया कि इस साल 1007 मिलियटन टन माल ढुलाई का लक्ष्य है। भारतीय रेल उन देशों में शामिल हो गया जहां 10 हजार टन भार से ज्यादा की माल ढुलाई वाली ट्रेने चलती हैं। पूर्वी और पश्चिमी गलियारों के 2800 किमी के लिए जमीन अधिग्रहण किया जा चुका है। पूर्वी फ्रेट कारिडोर में 343 किमी कानपुर– खुर्जा सेक्शन पर काम शुरु हो गया है। 12वीं योजना के दौरान हम ज्यादातर लेवल क्रासिंग को खत्म कर देंगे। आग रोकने के लिए पायलट आधार पर फायर एंड स्मोक डिटेक्शन सिस्टम लगाएंगे। सभी डिब्बों और गार्ड रूम में फायर फाइटिंग सिस्सटम लगाएंगे। वन क्षेत्रों में रेल पटरियों पर हाथियों की मौत रोकने के लिए कई कदम उठाए गए हैं। अनारक्षित टिकट प्रणाली के मजबूत करने केलिए टिकट वेंडिंग मशीनें लगाई जाएंगी। रेल में सवार यात्रियों से सपर्क स्थापित करने की कोशिश की जाएगी।
वित्त मंत्री पी चिदंबरम ने रेल बजट को ग्रोथ बढ़ाने वाला बजट करार दिया है। उन्होंने कहा कि सीमित संसाधनों के बावजूद ये अच्छा बजट है। कानून मंत्री सलमान खुर्शीद ने कहा है कि मौजूदा हालात में इससे बेहतर रेल बजट नहीं हो सकता है। रेल मंत्री को सीमाओं के अंदर ही काम करना होता है।
विपक्षी पार्टियों ने रेल बजट पर निराशा जताई है। बीएसपी प्रमुख मायावती के मुताबिक इस बजट में मध्यम वर्ग के लोगों के लिए कुछ नहीं है। किरायों में बढ़ोतरी नहीं की ये कहना गलत होगा। वहीं फ्यूल सरचार्ज बढ़ना यात्रियों के लिए बोझ है।
जनता दल यूनाइटेड के शरद यादव का कहना है कि रेल बजट में कमजोर इलाकों पर ध्यान नहीं दिया गया। उत्तर प्रदेश, मध्य प्रदेश, पश्चिम बंगाल और उड़ीसा की अनदेखी की गई है। विकास के पुराने कामों को दोबारा शुरू करने का ऐलान नहीं हुआ।
रेलवे बोर्ड के पूर्व चेयरमैन विवेक सहाय का कहना है कि रेल बजट से सरकार ने अपनी चुनावी लक्ष्यों को पूरा करने की कोशिश की है क्योंकि यूपीए सरकार का आखिरी बजट है। सरकार रेलवे के क्षेत्र में काम कर रही है लेकिन इसकी रफ्तार धीमी है। हालांकि रेलवे का मालभाड़े में बढ़ोतरी करना जरूरी है और इसके जरिए सरकार अपना घाटा कम करनी चाहती है।
सरकार को नई ट्रेनों पर फोकस करना चाहिए क्योंकि रेलवे पर लगातार भार बढ़ रहा है। रेलवे के लिए हर क्षेत्र में काम करने की कोशिश की जा रही है जिसका असर आगे चलकर देखा जाएगा।
पीडब्लूसी में सीनियर मैनेजर राजाजी मिश्रान का कहना है कि रेलवे मंत्री ने नए पीपीपी मॉडल का दायरा बढ़ाने के संकेत दिए हैं जो रेलवे के लिए अच्छा संकेत है। रेलवे में निजी भागीदारी बढ़ने से रेलवे के प्रोजेक्ट समय से पूरे हो पाएंगे और इसका फायदा रेलवे का राजस्व बढ़ने के रूप में मिलेगा।